লাক্সারি পেট্রোল ইঞ্জিনের ঐতিহ্যবাহী দুনিয়া পেরিয়ে এবার সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক বা লাক্সারি ইভি গাড়ির বাজারে বড়সড় ধাক্কা দিতে যাচ্ছে বিশ্বখ্যাত ব্রিটিশ গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা জাগুয়ার। গ্লোবাল মার্কেটের জন্য তারা নিয়ে আসছে তাদের একদম নতুন লাক্সারি ইলেকট্রিক গাড়ি ‘জাগুয়ার টাইপ ০১’। বর্তমানে গাড়িটির চূড়ান্ত পর্যায়ের রোড টেস্টিং চলছে। চলতি সপ্তাহের শেষে মোনাকো ই-প্রিক্স ২০২৬ ইভেন্টে এই প্রিমিয়াম গাড়িটির অফিশিয়াল ফার্স্ট লুক বা আত্মপ্রকাশ ঘটতে যাচ্ছে। কেবল দুর্দান্ত সব ফিচারের কারণেই নয়, গাড়িটির নামকরণের পেছনেও রয়েছে বেশ চমৎকার এক বিশেষত্ব।
নামের পেছনে রয়েছে বিশেষ গল্প
বিজ্ঞাপন
গাড়িপ্রেমীদের মনে কৌতুহল জাগানো ‘টাইপ০১’ নামের প্রতিটি অংশের একটি সুনির্দিষ্ট অর্থ রয়েছে। এই নামের ‘টাইপ’ শব্দটি মূলত জাগুয়ারের ঐতিহ্যবাহী লেগাসি বা বংশীয় ধারাকে নির্দেশ করে। মাঝের ‘0’ (জিরো) দিয়ে বোঝানো হয়েছে এর পরিবেশবান্ধব এবং সম্পূর্ণ দূষণহীন প্রযুক্তিকে। আর শেষের ‘1’ (ওয়ান) দিয়ে বোঝানো হচ্ছে এটিই জাগুয়ার ব্র্যান্ডের তৈরি একদম প্রথম সম্পূর্ণ ইলেকট্রিক গাড়ি।

যেমন থাকছে এর পারফরম্যান্স ও ফিচার
১৬ মে ২০২৬ সমাপ্ত হওয়া মোনাকো ই-প্রিক্স ইভেন্টে গাড়িটি প্রদর্শনের ঘোষণা থাকলেও সংস্থাটি এখনো এর অফিশিয়াল প্রযুক্তিগত সমস্ত ডেটা পুরোপুরি প্রকাশ করেনি। তবে অটোমোবাইল খাতের বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য রিপোর্টের সূত্র ধরে জানা গেছে, এই লাক্সারি ইভিতে ব্যবহার করা হচ্ছে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ‘ট্রাই-মোটর সেটআপ’। এই মোটর থেকে অন্তত ১০০০ হর্সপাওয়ার এবং প্রায় ১৩০০ নিউটন-মিটার টর্ক উৎপন্ন হতে পারে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: টাটার এই সিএনজি গাড়িতে অটোমেটিক গিয়ার, দাম ৮ লাখ
পাশাপাশি, রাজকীয় আরামদায়ক ভ্রমণ এবং হাই-পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে গাড়িটিতে আধুনিক ‘এয়ার সাসপেনশন’ এবং ‘টুইন ভালভ অ্যাকটিভ ডাম্পার’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। গাড়িটি মূলত তৈরি করা হয়েছে দূরপাল্লার বা লং রাইডের কথা মাথায় রেখে। রিপোর্ট অনুযায়ী, একবার পূর্ণ চার্জ দিলে এই গাড়িটি অনায়াসে ৭০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পথ পাড়ি দিতে সক্ষম হবে।
বাণিজ্যিক বাজারে কবে নাগাদ মিলবে?
মোনাকো ই-প্রিক্স ইভেন্টে গাড়িটির প্রথম ঝলক উন্মোচন করা হলেও, এটি সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বাণিজ্যিকভাবে কবে থেকে বাজারে কেনা যাবে—তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি জাগুয়ার। তবে অটোমোবাইল
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, চলতি ২০২৬ সালের শেষের দিকেই গাড়িটির চূড়ান্ত প্রোডাকশন-রেডি সংস্করণ বিশ্ববাজারে বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করতে পারে এই ব্রিটিশ গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি।
এজেড




