ভারতের বাজারে সিএনজি চালিত গাড়িতে সাধারণত ম্যানুয়াল ট্রান্সমিশন দেখা গেলেও, সেই প্রথা ভেঙে টাটা মোটরস নিয়ে এলো দারুণ এক উদ্ভাবন। টাটার অন্যতম সফল হ্যাচব্যাক ‘অলট্রোজ’-এর সিএনজি ভ্যারিয়েন্টে এখন যুক্ত হয়েছে এএমটি (AMT) বা অটোমেটিক ট্রান্সমিশন। যারা সিএনজি-র সাশ্রয় এবং অটোমেটিক গিয়ারের আরাম একসঙ্গে খুঁজছিলেন, তাদের জন্য এই নতুন মডেলটি এক বড় চমক হতে পারে।
ইঞ্জিন ও পারফরম্যান্স
বিজ্ঞাপন
নতুন টাটা অলট্রোজ সিএনজি মডেলে রয়েছে ১.২ লিটারের থ্রি-সিলিন্ডার ইঞ্জিন এবং ৫-স্পিড অটোমেটিক গিয়ারবক্স। পেট্রোল মডেলের তুলনায় সিএনজি ভ্যারিয়েন্টে পাওয়ার কিছুটা কমলেও এর কার্যকারিতা সন্তোষজনক। এই ইঞ্জিন থেকে সর্বাধিক ৭৩.৫ এইচপি পাওয়ার এবং ১০৩ এনএম টর্ক উৎপন্ন হয়। তবে সিএনজি সিলিন্ডার বসানোর কারণে বুট স্পেস ৩২০ লিটার থেকে কমে ২১০ লিটারে দাঁড়িয়েছে।

ইন্টেরিয়র ও আধুনিক ফিচার্স
গাড়ির অন্দরমহলে বড় কোনো পরিবর্তন না হলেও ফিচারের দিক থেকে এটি বেশ উন্নত। এতে হারমান (Harman) ব্র্যান্ডের তৈরি ১০.২৫ ইঞ্চির টুইন স্ক্রিন সেটআপ রয়েছে, যার মাধ্যমে ইনফোটেইনমেন্ট সিস্টেম ও ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এছাড়া অ্যাম্বিয়েন্ট লাইটিং, অটোমেটিক ক্লাইমেট কন্ট্রোল এবং ইলেকট্রিক সানরুফের মতো প্রিমিয়াম সুবিধাগুলো আগের মতোই বজায় রাখা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: উন্নত নিরাপত্তা প্রযুক্তিতে প্রিমিয়াম এসইউভি আনল স্কোডা
নিরাপত্তার প্রশ্নে টাটা কোনো আপস করেনি। ভারত এনক্যাপ (Bharat NCAP) থেকে ৫-স্টার রেটিং পাওয়া এই গাড়িতে রয়েছে ছয়টি এয়ারব্যাগ, ইলেকট্রনিক স্টেবিলিটি কন্ট্রোল এবং ৩৬০ ডিগ্রি সারাউন্ড ভিউ ক্যামেরা। টায়ার প্রেশার মনিটরিং সিস্টেমের মতো ফিচার এর নিরাপত্তাকে আরও মজবুত করেছে। কলকাতায় অলট্রোজ সিএনজি এএমটি ভ্যারিয়েন্টের এক্স-শোরুম দাম শুরু হচ্ছে ৮ লাখ ৬৯ লাখ রুপি থেকে।
এজেড




