মোটরসাইকেল বা গাড়ির ইঞ্জিন সচল রাখতে নিয়মিত ইঞ্জিন ওয়েল বা মবিল পরিবর্তন করতে হয়। সাধারণত পরিবর্তনের পর ব্যবহৃত এই ‘পোড়া মবিল’ আমরা অপ্রয়োজনীয় মনে করে ফেলে দিই। কিন্তু পরিবেশ সচেতনতা এবং সঠিক পদ্ধতি জানা থাকলে এই ফেলে দেওয়া তেলও হতে পারে অত্যন্ত কাজের। বিশেষ করে কৃষি যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ এবং গৃহস্থালির টুকিটাকি কাজে ব্যবহৃত ইঞ্জিন ওয়েল বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

বিজ্ঞাপন
ব্যবহৃত ইঞ্জিন ওয়েলের বহুমুখী ব্যবহার
মরিচা রোধে: লোহার তৈরি যন্ত্রপাতি যেমন কোদাল, কাস্তে বা গেট-জানালার গ্রিলে এই তেল মাখিয়ে রাখলে তা লোহাকে মরিচা ধরার হাত থেকে রক্ষা করে।
কাঠের স্থায়িত্ব বাড়াতে: ঘর তৈরির সময় কাঠের খুঁটি বা বাঁশের নিচের অংশে পোড়া তেল মাখানো হলে তা উইপোকা ও ঘুণপোকার আক্রমণ থেকে বাঁচে এবং পচন রোধ হয়।

বিজ্ঞাপন
পিচ্ছিলকারক হিসেবে: সাইকেল বা রিকশার চেইন এবং দরজার কব্জার ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ দূর করতে লুব্রিকেন্ট হিসেবে এটি ব্যবহার করা যায়।
আরও পড়ুন: মোটরসাইকেলের পুরনো ইঞ্জিন ওয়েল কী কাজে লাগে?
বিকল্প জ্বালানি: শিল্পকারখানায় বড় বয়লার বা ভাটার চুল্লিতে এই তেল জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

পরিবেশ রক্ষায় সতর্কতা
এই তেল সরাসরি মাটিতে বা ড্রেনে ফেলা যাবে না। ব্যবহৃত ইঞ্জিন ওয়েলে থাকা বিষাক্ত পদার্থ মাটির উর্বরতা নষ্ট করে এবং পানির উৎসকে দূষিত করে। তাই ব্যবহারের পর অতিরিক্ত তেল নির্ধারিত পাত্রে জমা করে রিসাইক্লিং সেন্টারে পৌঁছে দেওয়া উচিত।
এজেড
