মোটরসাইকেল এবং স্কুটার চালাতে হেলমেট পরিধান করা বাধ্যতামূলক। হেলমেট না পরলে আইনলঙ্ঘন হবে। ফলে জরিমানাও হতে পারে। তাছাড়া হেলমেট পরলে দুর্ঘটনার ক্ষয়-ক্ষতিও কমে। তাই দুই চাকার যানবাহন চালানোর সময় চালক ও আরোহীকে ভালোমানের হেলমেট পরা উচিত। জানুন ভালো হেলমেট কীভাবে চিনবেন।
বিজ্ঞাপন
হেলমেট কেনার সময় প্রথমেই দেখুন এটা বিএসটিআই অনুমোদিত কিনা। বাজারে এখন প্রচুর হেলমেট। বেশিরভাগেরই বিএসটিআই অনুমোদন নেই। বিএসটিআই অনুমোদিত হেলমেট কিনুন নিরাপদ থাকুন।

বর্তমানে বহু বাইক দুর্ঘটনায় চালক বা বাইক আরোহীদের মাথায় হেলমেট থাকে না। হেলমেট থাকলেও লুজ ফিট এবং দুর্বল মান হওয়ার কারণে এই সমস্ত দুর্ঘটনা ঘটে।
হেলমেট কেনার সময় তার সেফটি, মেটিরিয়াল কোয়ালিটি সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখা উচিত। একটি ভালোমানের হেলমেট আপনি ৩ বছর ব্যবহার করতে পারবেন। বর্তমানে বাজারে ১০০০ টাকা থেকে শুরু করে ২৫ হাজার টাকা দামি হেলমেটও পাওয়া যায়। কিন্তু এর মধ্যে আপনার বাছাই করা হেলমেট আন্তর্জাতিক মাপকাঠি মানছে কিনা তা যাচাই করুন।
বিজ্ঞাপন

ডিজাইনের ক্ষেত্রেও অজস্র বিকল্প রয়েছে, যেমন – সম্পূর্ণ মুখ ঢাকা, অর্ধেক মুখ ঢাকা, অফ-রোড হেলমেট, টু পিস ইত্যাদি। তবে এসবের মধ্যে সম্পূর্ণ মুখ ঢাকা হেলমেট কেনাই উচিত। সম্পূর্ণ ফেস কভার করে এই ধরনের হেলমেট সবথেকে বেশি সুরক্ষিত।
বর্তমানে অধিকাংশ হেলমেট ফাইবার গ্লাস দিয়ে তৈরি হয়। তবে কেউ যদি বেশি সুরক্ষা চান এবং একটু বেশি টাকা খরচ করতে রাজি থাকেন, তা হলে কার্বন-কেভলার মিশ্রিত মেটিরিয়াল দিয়ে তৈরি হেলমেট কিনতে পারেন।

আন্তর্জাতিক পরিসরে যেসব কোম্পানি বিক্রি করে তারা বিভিন্ন ধরনের সার্টিফিকেশন নিয়েই হেলমেট তৈরি ও বাজারজাত করে। তাই হেলমেট কেনার সময় এসব সার্টিফিকেশন দেখে হেলমেট কিনুন।
এজেড

