সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

ঢাকা

রবীন্দ্র সরোবরে সুর-ছন্দে অনন্য এক সন্ধ্যা

তায়েব মিল্লাত হোসেন
প্রকাশিত: ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:২১ এএম

শেয়ার করুন:

রবীন্দ্র সরোবরে সুর-ছন্দে অনন্য এক সন্ধ্যা
রবীন্দ্র সরোবরে সুর-ছন্দে অনন্য এক সন্ধ্যা। ছবি: ঢাকাস্থ রাশিয়ান হাউস।

এমনিতে রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি হ্রদের ধারে ভ্রমণপিয়াসীদের আনাগোনা থাকে সবসময়ই। কারো লক্ষ্য হেঁটে হেঁটে শরীরটাকে একটু চাঙা রাখা। কেউবা আসেন একটু ফুচকা-চটপটি কিংবা কাবাব-পরোটার স্বাদ নিতে। তাদের দেখা যায় অবশ্য হ্রদের মুক্তমঞ্চ রবীন্দ্র সরোবরের দিকে। সড়ক ঘেঁষে সেখানে আরো নানা মুখরোচক খাবারের আয়োজন নিয়মিতই থাকে। কিন্তু শুক্রবার সন্ধ্যাটা ছিল একেবারেই অন্যরকম। রবীন্দ্র সরোবর ঘিরে হাজার হাজার মানুষের ভিড়। যেখানে সংখ্যায় বেশি তরুণরাই। তাদের সবার আগ্রহ মঞ্চের গান পরিবেশনার দিকে। সুরে-ছন্দের সঙ্গে তালমিলিয়ে নিজেদের মতো করে মাতোয়ারা ছিল অবশ্য সব দর্শকই।

87ffa727-1c57-4da2-b3e9-4e724fe25977


বিজ্ঞাপন


সাংস্কৃতিক এই সন্ধ্যায় শুধু সংগীত নয়, সেখানে ছিল নৃত্য নিয়েও পরিবেশনা। ৫ ডিসেম্বর হওয়া অনুষ্ঠানটির আয়োজক ঢাকাস্থ রাশিয়ান হাউস। তারা জানিয়েছে, এর মাধ্যমে রুশ গণ-কূটনীতির শতবর্ষ স্মরণ করেছে তারা। একই সঙ্গে উদযাপন করেছে বাংলাদেশের বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। তাই অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয় একাত্তরের বীর শহীদদের।

আরও পড়ুন: বছরের প্রথম হিমপাত, পারির জমে যাওয়া রাত  

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে রাশিয়া অন্যতম সারথী ছিল, সেই বিষয়টি তুলে ধরা হয় সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার মাঝেই। দেশ দুটির শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার দীর্ঘ বন্ধনের প্রসঙ্গ সামনে আসে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মাধ্যমে রাশিয়া এই দেশের অন্যতম এক উন্নয়ন সহযোগী জানানো হয় সেই কথা।

12db935f-f096-4f7c-a970-8f111683e7c1


বিজ্ঞাপন


তবে রুশ সাহিত্য, সংস্কৃতি, শিল্পকলা ও চলচ্চিত্র বাংলাদেশের সংস্কৃতিজগতে আলাদা এক স্থান নিয়ে আছে অনেক দিন ধরেই। যা প্রায়ই শিল্পপ্রেমীরা উপভোগ করতে পারেন রাশিয়ান হাউসের নানা আয়োজনের মাধ্যমে।

c4174bc1-4976-4e8e-8a72-6f6134239457

এবার রবীন্দ্র সরোবরে তাদের উন্মুক্ত সংস্কৃতি সন্ধ্যায় নাচ উপস্থাপন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা। আর গানের পরিবেশনায় ছিল গানের দল সোনার বাংলা সার্কাস ও আকাশ অ্যান্ড কোম্পানি। যেখানে রাশিয়া ও বাংলাদেশ- দুই দেশের অতীত ও আধুনিক সুর-তাল-লয় প্রাধান্য পেয়েছে। সবটা মিলে সেদিন সন্ধ্যায় দারুণ এক আবেশ নিয়েই ঘরে ফিরেছেন সংস্কৃতিপিয়াসীরা।

এজেড

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর