images

আবহাওয়া

ঈদে বন্যার শঙ্কা নিয়ে যা জানাল পাউবো

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম

বৃষ্টিপাত কমে আসায় ঈদুল ফিতরের সময় দেশে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

সোমবার (১৬ মার্চ) এমন তথ্য জানিয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠানটি।

পাউবোর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ প্রতীম বড়ুয়া জানান, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকার সুরমা-কুশিয়ারা ও ধনু-বাউলাই নদীগুলোর পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে, অপরদিকে ভুগাই-কংস নদীসমূহের পানি সমতল স্থিতিশীল আছে; এবং নদীগুলো প্রাক-মৌসুমী বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর ও বৈশ্বিক আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকায় আগামীকাল মাঝারি থেকে ভারী এবং পরবর্তী দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। 

আগামী দ্বিতীয় দিন উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকার সুরমা-কুশিয়ারা ও ধনু-বাউলাই নদীগুলোর পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে এবং তৃতীয় দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। 

অপরদিকে ভুগাই-কংস নদীগুলোর পানি সমতল আগামী চতুর্থ দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। সকল নদীগুলো প্রাক-মৌসুমী বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এই সময় অত্র অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির সম্ভাবনা কম।

এদিকে আগামী ২৪ মার্চ পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওড় অববাহিকার প্রধান নদীগুলো তথা সুরমা-কুশিয়ারা ও ধনু-বাউলাই নদীগুলোর পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপরদিকে ভুগাই-কংস নদীগুলোর পানি সমতল স্থিতিশীল আছে এবং নদীগুলো প্রাক-মৌসুমী বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর ও বৈশ্বিক আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকা ও তৎসংলগ্ন উজানে বিগত সপ্তম দিন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত পরিলক্ষিত হয়েছে। সামগ্রিকভাবে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকা ও তৎসংলগ্ন উজানে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত সংঘটিত হতে পারে এবং অষ্টম দিনে স্থানভেদে সর্বোচ্চ সর্বমোট ৮০ থেকে ১২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে। 

এর ফলে বর্ণিত সময়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকার প্রধান নদীগুলোর ও অন্যান্য উপ-নদীগুলোর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়ে সপ্তাহের মধ্যভাগে স্থিতিশীল হতে পারে এবং প্রাক-মৌসুমী বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এসময় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির সম্ভাবনা কম।

এমএইচএইচ/এএইচ