তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
২০ এপ্রিল ২০২৩, ০৯:৫৯ এএম
সূর্যগ্রহণ চার ধরনের হয়। এর মধ্যে একটি হাইব্রিড। যার আরেক নাম রিং অব ফায়ার। সূর্যগ্রহণের অন্য তিনটি হচ্ছে- পূর্ণগ্রাস, বলয়গ্রাস এবং আশিংক সূর্যগ্রহণও।
মানুষ যে ধরনের গ্রহণ দেখতে পায় তা নির্ভর করে চাঁদ কীভাবে পৃথিবী এবং সূর্যের সাথে সারিবদ্ধ হয় এবং চাঁদ পৃথিবী থেকে কত দূরে।
হাইব্রিড সূর্যগ্রহণ কী?
হাইব্রিড সূর্যগ্রহণের আরেক নাম রিং অ ফায়ার। ১৮ মাস পর পর একটি করে সূর্যের পূর্ণগ্রাস গ্রহণ হয় । এই সময় সূর্যকে পুরোপুরি ঢেকে দেয় চাঁদ। সূর্যের নানারকমের গ্রহণ হয়। কখনও আংশিক ঢাকা পড়ে সূর্য। কখনও পুরোপুরি ঢাকা পড়ে যায় সূর্য যাকে বলে পূর্ণগ্রাস। আবার কখনও বলয়গ্রাস হয় , যা পরিচিত ‘রিং অব ফায়ার’ নামে। আর যদি তিনরকমই গ্রহণ একসঙ্গে ঘটে, তখন তাকে বলে হাইব্রিড গ্রহণ।
বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণের ক্ষেত্রে সূর্যের চারদিকে একটি বলয় দেখা যায়। এক্ষেত্রে চাঁদ পুরোপুরি সূর্যকে ঢাকতে পারে না। অপরটি পূর্ণগ্রাস। কিন্তু, এক্ষেত্রে হাইব্রিড সূর্যগ্রহণে বিরলতম একটি দৃশ্য প্রত্যক্ষ করবেন সাধারণ মানুষ। থিবীর কোনও কোনও অংশের মানুষ বিষয়টিকে দেখবেন বলয়গ্রাস এবং কোনও কোনও অংশের মানুষ তা দেখবেন পূর্ণগ্রাস হিসেবে।
কেন হাইব্রিড সূর্যগ্রহণ বিরল?
এই ধরনের ‘হাইব্রিড সূর্যগ্রহণের দৃশ্য অত্যন্ত বিরলতম। ২০১৩ সালে শেষবার এই ধরনের সূর্যগ্রহণ দেখা গিয়েছিল। এরপর চলতি বছর তা প্রত্যক্ষ করতে চলেছেন সাধারণ মানুষ। যদিও বিশ্বের বহু দেশের মানুষ এই দৃশ্য থেকে বঞ্চিত থাকবেন।
মহাকাশবিদরা জানান, দুটি ‘হাইব্রিড’ সূর্যগ্রহণের মধ্যে সাধারণত ১০০ বছরের বিরতি থাকে। তবে ২০১৩ সালের পর ২০২৩ সালে এ সূর্যগ্রহণের ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল বলে জানান তারা।
এজেড