তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
১৪ অক্টোবর ২০২২, ০২:৫৫ পিএম
প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় বিদ্যুৎ থাকে না। তখন টেলিযোগাযোগ ব্যাহত হয়। ওই সময় যোগাযোগের অন্যতম হতে পারে অ্যামেচার রেডিও বা হ্যাম রেডিও।
সাধারণত মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক টাওয়ারকেন্দ্রীক। দুর্যোগের সময় এসব টাওয়ার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ফলে মোবাইল ফোনে সিগন্যাল মেলে না। এ অবস্থায় যোগাযোগের বিকল্প মাধ্যম হিসেবে বেশ কার্যকরী ডিভাইস হ্যাম রেডিও। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিপর্যয় মোকাবিলায় উদ্ধারকাজে সঠিকভাবে বার্তা পৌঁছে দিতে সক্ষম।
তবে যে কেউ চাইলেই হ্যাম রেডিও চালাতে পারবেন না। এর জন্য প্রয়োজন বিশেষ দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের। আর এ কারণে বর্তমানে সিভিল ডিফেন্সের কাজে নিয়োজিতদের প্রাথমিক পর্যায়ে হ্যাম রেডিও চালানোর ব্যাপারে গুরূত্ব দেয়া হয়।
এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্যাটেলাইট সংযোগ অব্যাহত রাখতে হাই ফ্রিকোয়েন্সি রেডিও-র কোন বিকল্প নেই।
আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে রেডিও'র ফ্রিকোয়েন্সিতে যে নয়েজ হত, এবার রেডিও এবং স্যাটেলাইটের যুগলবন্দিতে সেই সমস্যারও সমাধান করেছে হ্যাম রেডিও অপারেটররা। আর যারা এটা পরিচালনা করেন তাদেরকে 'হ্যাম' নামে ডাকা হয়।
এই রেডিও যোগাযোগ ব্যবস্থায় একজন ব্যবহারকারী নিজেই একটি পূর্ণাঙ্গ বেতার গ্রাহক ও প্রেরকযন্ত্রের অধিকারী হয়ে ওঠেন। এর মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে নিজ এলাকা, দেশ, এমনকি পৃথিবীর যেকোনও দেশে ওই ধরনের বেতারযন্ত্র ব্যবহারকারীর সঙ্গে তথ্য বিনিময় করা যায়।
বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বিটিআরসি) অ্যামেচার রেডিও বা হ্যাম রেডিওর লাইসেন্স দেয়। এজন্য পরীক্ষার আয়োজন করে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
এজেড