তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৭ পিএম
বিশ্বজুড়ে ইলন মাস্কের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা ‘স্টারলিংক’ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেলেও ভারতে এর বাণিজ্যিক পথচলা এখনও বেশ জটিল। বাংলাদেশে স্টারলিংকের ডিরেক্ট-টু-সেল (ডিটুসি) সেবা চালুর বা এর কার্যক্রম আগোলেও ভারতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্বেগ এবং নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় ইলন মাস্কের এই সংস্থাটি এখনও পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক লাইসেন্স পেতে হিমশিম খাচ্ছে।
ভারতে স্টারলিংক চালুর পথে প্রধান বাধা ও নিরাপত্তা উদ্বেগ
নিরাপত্তা ও অবৈধ টার্মিনাল ব্যবহারের অভিযোগ: মণিপুরে নিষিদ্ধ সংগঠনের কাছ থেকে সক্রিয় স্টারলিংক টার্মিনাল উদ্ধার এবং আন্দামান ও নিকোবরের মাদক পাচার মামলায় ‘স্টারলিংক মিনি’ ব্যবহারের তথ্য ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।

আন্তর্জাতিকভাবে অপব্যবহারের নজির: সুদান, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধক্ষেত্র, মিয়ানমারের সাইবার প্রতারণা চক্র ও ইয়েমেনের মতো সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে বিধিনিষেধ এড়িয়ে কালোবাজারে স্টারলিংক কিট ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে, যা নিয়ে ভারত সরকারের নীতিনির্ধারকরা কঠোর অবস্থানে রয়েছেন।
আরও পড়ুন: দুর্গম এলাকায় নেটওয়ার্ক না থাকলেও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে কল করতে পারবেন
অবস্থান শনাক্তকরণের ঝুঁকি: ইজরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, মোবাইল অ্যাডভারটাইজিং আইডি বা এমএআইডি ব্যবহার করে গোপন স্টারলিংক টার্মিনালের অবস্থান ট্র্যাক করা সম্ভব, যা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
স্পেকট্রাম মূল্য ও ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব: স্পেকট্রাম ব্যবহারের মূল্য নির্ধারণ এবং সরকারি পর্যালোচনা দীর্ঘায়িত হওয়ায় প্রক্রিয়াটি আটকে আছে। এর পাশাপাশি ইলন মাস্কের অভিযোগ, দেশীয় টেলিকম সংস্থাগুলি একচেটিয়া আধিপত্য বজায় রাখতে প্রভাব খাটিয়ে স্টারলিংকের প্রবেশে বিলম্ব করাচ্ছে। যদিও ভারত সরকার এই অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছে যে, অন্য সব কোম্পানির মতো স্টারলিংককেও একই নিয়মের মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
এজেড