Dhaka Mail Logo

তথ্য-প্রযুক্তি

মোবাইলের ইন্টারনেট স্লো হলে এয়ারপ্লেন মোড কি সত্যিই স্পিড বাড়ায়?

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৭ এএম

গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজ বা পেমেন্টের সময় হঠাৎ ইন্টারনেট স্লো হয়ে গেলে অনেকেই ফোনের এয়ারপ্লেন মোড অন করে আবার অফ করেন। এই কৌশলটি আদৌ কার্যকর কি না এবং এর পেছনের টেকনিক্যাল রহস্য কী, তা নিয়ে অনেকেরই কৌতূহল রয়েছে।

আমরা যখন যাতায়াত করি বা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাই, তখন স্মার্টফোন অনেক সময় কাছের নতুন ও শক্তিশালী টাওয়ারের বদলে দূরে সরে যাওয়া পুরনো টাওয়ারের সিগন্যালের সঙ্গেই যুক্ত থাকে। এর ফলে স্ক্রিনে ফুল নেটওয়ার্ক দেখা গেলেও ডেটা ট্রাফিক জ্যামে আটকে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং ইন্টারনেটের স্পিড ধীর হয়ে যায়। একটানা ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে আইপি অ্যাড্রেস বা নেটওয়ার্ক ডিএনএস ক্যাশেও অনেক সময় প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়।

AIR-PLANE-FLIGHT-MODE

ফোনে এয়ারপ্লেন মোড চালু করার সঙ্গে সঙ্গেই এর অভ্যন্তরীণ অ্যান্টেনা, সেলুলার মডেম এবং ওয়াইফাই চিপের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে টেলিকম টাওয়ারের সঙ্গে ফোনের পুরনো ও আটকে থাকা সংযোগ সম্পূর্ণ কেটে যায়। এরপর এয়ারপ্লেন মোড বন্ধ করলেই ফোনের মডেম নতুন করে সক্রিয় হয় এবং এটি আশপাশের সবচেয়ে শক্তিশালী সিগন্যাল থাকা টাওয়ারের সঙ্গে নতুন সংযোগ স্থাপন করে। এর পাশাপাশি টেলিকম সংস্থা ফোনটিকে নতুন আইপি অ্যাড্রেস দিতে পারে, যা আটকে থাকা ডেটা ট্রাফিক দ্রুত স্বাভাবিক করে তোলে এবং ইন্টারনেটের স্পিড বাড়িয়ে দেয়।

আরও পড়ুন: চুরি হওয়া ফোন ফেরত পাওয়ার উপায়

অনেকেই এয়ারপ্লেন মোড অন করে এক সেকেন্ডের মধ্যেই আবার বন্ধ করে দেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্তত পাঁচ থেকে দশ সেকেন্ড এই মোড অন করে রাখা উচিত, যাতে অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক ক্যাশে সম্পূর্ণভাবে রিসেট হতে পারে। যাতায়াতের সময় রেঞ্জ চলে গেলে, কল ড্রপ হলে কিংবা হঠাৎ ইন্টারনেট স্লো হয়ে গেলে ফোন রিস্টার্ট করার ঝামেলা এড়িয়ে এই পদ্ধতিটি বেশ কার্যকরী হতে পারে।

এজেড