তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০৪ এএম
গরমের সময় এসি চালু করলেই বিদ্যুৎ বিল হু হু করে বেড়ে যায়। এ নিয়ে দুশ্চিন্তার অন্ত থাকে না ব্যবহারকারীদের। তবে এসি ব্যবহারের একটি সাধারণ নিয়ম পরিবর্তন করলেই প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব বলে দাবি করেছেন এক কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তার দাবি অনুযায়ী, এসির তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বাড়িয়ে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস করায় মাসিক বিদ্যুৎ বিল সাড়ে তিন হাজার টাকা থেকে কমে প্রায় ১৩০০ টাকায় নেমে এসেছে।
পূজা নামের ওই কনটেন্ট ক্রিয়েটর জানান, তিনি আগে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ থেকে সাত ঘণ্টা এসি চালাতেন এবং তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রাখতেন। টানা দুই মাস এভাবেই এসি ব্যবহারের ফলে তার মাসিক বিদ্যুৎ বিল আসে প্রায় সাড়ে তিন হাজার টাকা। এরপর তিনি এসির তাপমাত্রা বাড়িয়ে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস সেট করেন এবং পরবর্তী দুই মাস প্রায় একই সময় ধরে তা ব্যবহার করেন।
এই সামান্য পরিবর্তনের পরেই তাঁর বিদ্যুৎ বিল কমে মাত্র এক হাজার ২৯২ টাকা হয়। এতে তার প্রতি মাসে প্রায় দুই হাজার ২০৮ টাকা সাশ্রয় হয়। তার হিসাব অনুযায়ী, সারা বছর এভাবেই চললে এই সাশ্রয়ের পরিমাণ বছর শেষে প্রায় সাড়ে ছাব্বিশ হাজার টাকায় পৌঁছাতে পারে।

তবে শুরুর দিকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ঘর ঠান্ডা হতে কিছুটা বেশি সময় নিলেও কিছুক্ষণ পর ঘরের পরিবেশ বেশ আরামদায়ক হয়ে ওঠে বলে জানান তিনি। ঘর ঠান্ডা করার জন্য সবসময় এসি ১৮ থেকে ২২ ডিগ্রির মধ্যে রাখা যে জরুরি নয়, সে কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। এছাড়া এসিকে অতিরিক্ত পরিশ্রম থেকে বাঁচাতে নিয়মিত ফিল্টার পরিষ্কার করার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: ইনভার্টার নাকি সাধারণ এসি, কোনটা কেনা বুদ্ধিমানের কাজ?
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদ্ধতিতে সবার বিল সমানভাবে কমবে এমনটা নিশ্চিত করে বলা যায় না। ঘরের আয়তন, বাইরের তাপমাত্রা, এসির মডেল, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সক্ষমতা এবং ব্যবহারের সময়ের ওপর নির্ভর করে প্রকৃত বিদ্যুৎ খরচ কমবেশি হতে পারে। তাছাড়া এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে করা এই দাবির কোনো স্বাধীন বা প্রাতিষ্ঠানিক যাচাই হয়নি। তাই সব বাড়িতেই একই পরিমাণ সাশ্রয় হবে—এমনটি ধরে নেওয়া উচিত নয়।
এজেড