তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
২০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৫৭ পিএম
অনেকেই ঘন ঘন ফোন বদলাতে পছন্দ করেন। আবার অনেকে না বুঝেই ফোন কিনে ফেলেন। পুরনো ফোনের বদলে ঠিক কখন নতুন ফোন কেনা উচিত এবং একটি স্মার্টফোন সাধারণত কত দিন ভালোভাবে চলতে পারে, তা জেনে নিন।
হাতে স্মার্টফোন না থাকলে এখন অনেক মানুষই চোখে অন্ধকার দেখেন। গোটা একটা দিন এখন অনেকেই স্মার্টফোন ছাড়া থাকতে পারেন না। কারণ স্মার্টফোন এখন আমাদের দৈনন্দিন কাজের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। তাছাড়া বিনোদনের প্রধান মাধ্যমও বটে। আপনি আজ যে স্মার্টফোনটি কিনবেন, আগামীকাল সেটি পুরনো হয়ে যেতে পারে। কারণ প্রায় প্রতি সপ্তাহেই একের পর এক নতুন মডেলের ফোন বাজারে আসছে। অনেকেই তিন থেকে চার বছর বা তারও বেশি সময় ধরে একই ফোন ব্যবহার করছেন এবং সেগুলো দিব্যি চলেও যাচ্ছে।

অনেকের হাত থেকেই ফোন পড়ে যায়। আর বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলেন, ফোন হাত থেকে পড়লে অভ্যন্তরীণ ক্ষতি বেশি হয়, যা অনেক সময় বাইরে থেকে বোঝা যায় না। তাই অনেকেই ফোনে ভালো কভার ব্যবহার করেন। স্মার্টফোন একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র এবং এর ব্যাটারিতে বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়, যেগুলোর মেয়াদ একটা সময়ের পর ফুরিয়ে আসে। তবে স্মার্টফোনের নির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ বা শেষ তারিখ বলে কিছু নেই। প্রয়োজনমতো ব্যাটারি বা অন্যান্য যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করে এটি ব্যবহার করা সম্ভব।
আরও পড়ুন: ফোনের এক্সপায়ার ডেট কীভাবে জানবেন?
অনেকেই ভালো ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন ব্যবহার করেন। তারা কোনো রকমের যন্ত্রাংশ পরিবর্তন ছাড়াই বহু বছর ধরে নির্দ্বিধায় ফোন ব্যবহার করতে পারেন। এই ধরনের ফোনে যে প্রসেসর ও যন্ত্রাংশ ব্যবহার করা হয়, তা বছরের পর বছর চলতে থাকে। তবে বর্তমানে অনেক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান দুই থেকে তিন বছর পর ফোনের সফটওয়্যার আপডেট করা বন্ধ করে দেয়। এর ফলে পুরনো ফোনগুলো ধীরে ধীরে ধীরগতির হয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে কোম্পানি নির্দিষ্ট ওই মডেলের যন্ত্রাংশ তৈরি করাও বন্ধ করে দেয়।

তাহলে ফোন কখন পরিবর্তন করা উচিত? আসলে ফোন বদলানোর বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করে ব্যবহারকারীর ওপর। অনেকেই শখের বশে ঘন ঘন ফোন পরিবর্তন করেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, যতক্ষণ একটি স্মার্টফোন সচল ও ব্যবহারোপযোগী থাকে, ততক্ষণ তা ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রয়োজনে খারাপ ব্যাটারি বা স্ক্রিন পরিবর্তন করেও দীর্ঘদিন ফোনটি টিকিয়ে রাখা যায়।
এজেড