Dhaka Mail Logo

তথ্য-প্রযুক্তি

বৈশ্বিক ‘রোবোসাব ২০২৬’ প্রতিযোগিতায় ৮ম ব্র্যাকইউ ডুবুরি

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৫ পিএম

ক্যালিফোর্নিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ রোবোটিকস প্রতিযোগিতা ‘রোবোসাব ২০২৬’এ অষ্টম স্থান অর্জন করেছে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অটোনমাস আন্ডারওয়াটার রোবোটিকস দল ‘ব্র্যাকইউ ডুবুরি’। এটি বাংলাদেশের প্রথম স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান বা অটোনমাস আন্ডারওয়াটার ভেহিকল (এইউভি) প্রস্তুতকারী দল। এ বছর বাংলাদেশ থেকে অংশ নেওয়া তিনটি দলের মধ্যে সর্বোচ্চ স্থানও অর্জন করেছে ব্র্যাকইউ ডুবুরি।

রোবোসাব হলো বিশ্বের অন্যতম সেরা ও মর্যাদাপূর্ণ অটোনমাস আন্ডারওয়াটার রোবোটিক্স প্রতিযোগিতা। যুক্তরাষ্ট্রের রোবোটিকস সংগঠন ‘রোবোনেশন’প্রতিবছর এই প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করে। এ বছরের মূল পর্বটি অনুষ্ঠিত হয় ক্যালিফোর্নিয়ার আর্ভিনের উলেট অ্যাকুয়াটিকস সেন্টারে। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর ৫৮টি দলের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ব্র্যাকইউ ডুবুরি স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি, কার্নেগী মেলন ইউনিভার্সিটি এবং ডিউক ইউনিভার্সিটির মতো খ্যাতনামা বহু বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানকে পেছনে ফেলে এই গৌরব অর্জন করে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দল।

ব্র্যাকইউ ডুবুরি বাংলাদেশের প্রথম স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান (অটোনমাস আন্ডারওয়াটার ভেহিকল–এইউভি) প্রস্তুতকারী দল। তারা ‘ডুবুরি ৪.৫’নামে প্রধান ডুবোযান এবং ‘ডুবোমিনি ২.০’নামে একটি সহযোগী রোবট নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। মূল প্রতিযোগিতার পাশাপাশি টেকনিক্যাল প্রেজেন্টেশনে ষষ্ঠ, টেকনিক্যাল ডিজাইন রিপোর্টে ১১তম এবং টিম ভিডিও বিভাগে ১২তম স্থান অর্জন করে দলটি।

Image_2

ব্র্যাকইউ ডুবুরি দলের মুখপাত্র তাহিরাহ জান্নাত মীম বলেন, ভিসা জটিলতা, যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়া ও সদস্যদের অসুস্থতাসহ নানা বাধা পেরিয়ে তারা এই সাফল্য অর্জন করেছেন।

অনার বাংলাদেশের হেড অব বিজনেস আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘তরুণ উদ্ভাবকদের বড় স্বপ্ন দেখতে এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে উৎসাহিত করে এমন উদ্যোগের পাশে থাকতে পেরে অনার গর্বিত। ব্র্যাকইউ ডুবুরিকে সহযোগিতা করা আমাদের সেই অঙ্গীকারেরই অংশ। এর মাধ্যমে আমরা নতুন প্রজন্মের প্রকৌশলীদের দক্ষতা বিকাশে সহায়তা করতে এবং দেশের উন্নয়নে প্রযুক্তির ব্যবহারকে আরও এগিয়ে নিতে চাই।’

এই সাফল্য বাংলাদেশের তরুণদের রোবোটিকস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, এমবেডেড সিস্টেম ও মেরিন প্রযুক্তিতে কাজ করার সক্ষমতার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।