Dhaka Mail Logo

তথ্য-প্রযুক্তি

স্টার্টআপের উন্নয়ন ও সমস্যা সমাধানে সরকারের নতুন পদক্ষেপ

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৮ পিএম

দেশের স্টার্টআপ ব্যবসাকে আরও কার্যকর করতে এবং এই খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। 

৭ এপ্রিল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের মিলনায়তনে আয়োজিত ‘ন্যাশনাল ডেমো ডে ২০২৬’ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
 
তিনি জানান যে, প্রযুক্তির সহায়তায় বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা এখন তাদের পণ্য ও সেবা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে পৌঁছে দিতে সক্ষম এবং এটিই বিশ্ববাজারে প্রবেশের সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। সেই লক্ষ্যেই সরকার একটি শক্তিশালী স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম ও সহায়ক পলিসি তৈরির মাধ্যমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতকে বৈশ্বিক মানে উন্নীত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ন্যাশনাল ডেমো ডে এবং উদ্যোক্তা সক্ষমতা বৃদ্ধি

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের অধীনে বাস্তবায়িত ডিজিটাল উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবন ইকোসিস্টেম উন্নয়ন (ডিইআইইডি) প্রকল্পের আওতায় এই বিশাল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। দেশের ৬টি বিভাগ থেকে প্রাথমিকভাবে ১,০৯১ জন উদ্যোক্তা এতে অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্য থেকে বাছাইকৃত সেরা উদ্যোক্তাদের নিয়ে আয়োজিত এই তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ, মেন্টরিং এবং নেটওয়ার্কিংয়ের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের সামনে সরাসরি ব্যবসা উপস্থাপনের সুযোগ প্রদান করা হচ্ছে। 

আইটি ও আইটিইএস, ই-কমার্স, কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবাসহ মোট ৭টি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরের প্রায় ২০০ জন উদ্যোক্তা এখানে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সামনে তাদের উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক ধারণা তুলে ধরছেন।

স্টার্টআপ সংস্কৃতি ও টেকসই ইকোসিস্টেমের ভবিষ্যৎ

অনুষ্ঠানে ডিইআইইডি প্রকল্পের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার দেশের স্টার্টআপ সংস্কৃতির পরিবর্তনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। 

তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশে উদ্ভাবনী আইডিয়ার অভাব না থাকলেও মাইন্ডসেট বা মানসিকতার পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। ছোট পরিসরে শুরু করে বড় স্বপ্ন দেখার মাধ্যমেই এই খাতের উদ্যোগগুলো একদিন দেশ বদলে দেবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। 

এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে বক্তারা বলেন যে, সঠিক নীতি সহায়তা ও বিনিয়োগ প্রবাহ নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশের স্টার্টআপ খাত বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছাতে পারবে। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে আয়োজিত বিশেষ প্যানেল আলোচনায় বিশেষজ্ঞগণ বাংলাদেশের স্টার্টআপ খাতের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা এবং বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

এজেড