তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
১৩ মার্চ ২০২৬, ০২:১৫ পিএম
দৈনন্দিন কাজে ল্যাপটপ এখন আমাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে ব্যবহারের ৩-৪ বছর পার হতে না হতেই অনেক ল্যাপটপ ধীরগতির হয়ে যায়। ৫-৭ বছর পর তো কর্মক্ষমতা প্রায় হারিয়েই ফেলে। এ অবস্থায় অনেকেই নতুন ল্যাপটপ কেনার কথা ভাবেন। কিন্তু কিছু সাশ্রয়ী গ্যাজেট এবং কৌশল ব্যবহার করলে পুরনো ল্যাপটপকেও নতুনের মতো দ্রুতগামী করে তোলা সম্ভব। এতে যেমন বাড়তি খরচ বাঁচে, তেমনি প্রিয় ডিভাইসটিও আরও কয়েক বছর ব্যবহার করা যায়।
অতিরিক্ত গরম হওয়া থেকে রক্ষা করবে ‘কুলিং প্যাড’
পুরনো ল্যাপটপ ধীরগতির হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো ‘ওভার হিটিং’ বা অতিরিক্ত গরম হওয়া। ফ্যানে ধুলো জমার কারণে বাতাস ঠিকমতো চলাচল করতে পারে না। ফলে প্রসেসর গরম হয়ে সিস্টেম ধীর করে দেয়। একটি সাশ্রয়ী কুলিং প্যাড ল্যাপটপের নিচে ঠান্ডা বাতাস সরবরাহ করে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, যা ল্যাপটপের গতি বাড়াতে সরাসরি সাহায্য করে।

এক্সটার্নাল কিবোর্ড ও মাউস
দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ল্যাপটপের ট্র্যাকপ্যাড বা কীবোর্ডের বাটন অকেজো হয়ে যেতে পারে। ল্যাপটপের কীবোর্ড পরিবর্তন করা বেশ ব্যয়বহুল। এর চেয়ে সাশ্রয়ী সমাধান হলো একটি আলাদা কীবোর্ড এবং মাউস ব্যবহার করা। এটি কাজের ক্ষেত্রে আরামদায়ক এবং ল্যাপটপের স্থায়িত্ব বাড়াতেও কার্যকর।
ইউএসবি হাবের ব্যবহার
পুরনো ল্যাপটপগুলোতে পোর্টের সংখ্যা সীমিত থাকে। পেনড্রাইভ, মাউস বা কীবোর্ড একসাথে ব্যবহারের জন্য একটি ‘ইউএসবি হাব’ দারুণ সমাধান হতে পারে। একটি মাত্র পোর্ট ব্যবহার করে এর মাধ্যমে আপনি একাধিক ডিভাইস সংযুক্ত করতে পারবেন।

এসএসডি (SSD) ও এক্সটার্নাল স্টোরেজ
স্টোরেজ বা মেমোরি পূর্ণ হয়ে গেলে ল্যাপটপ স্বাভাবিকভাবেই ধীর হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে পুরনো হার্ড ড্রাইভ পরিবর্তন করে একটি SSD (Solid State Drive) লাগিয়ে নিলে ল্যাপটপের গতি রাতারাতি কয়েক গুণ বেড়ে যাবে। এছাড়া বাড়তি ডেটা সংরক্ষণের জন্য এক্সটার্নাল হার্ড ড্রাইভ (HDD) ব্যবহার করা যেতে পারে।
আরও পড়ুন: কিউআর কোড আসল নাকি নকল? পেমেন্ট করার আগে যেভাবে বুঝবেন
নতুন ল্যাপটপ কেনার আগে এই ছোট পরিবর্তনগুলো করে দেখুন, আপনার পুরনো ডিভাইসটিই নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করবে।
এজেড