তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
১৩ মার্চ ২০২৬, ১১:১৪ এএম
বর্তমান সময়ে কেনাকাটা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে ডিজিটাল পেমেন্ট বা অনলাইন লেনদেন এখন মানুষের প্রথম পছন্দ। বিশেষ করে স্মার্টফোনের মাধ্যমে কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করে টাকা পাঠানো অত্যন্ত সহজ ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে এই সহজ পদ্ধতিটিই এখন সাইবার অপরাধীদের অন্যতম হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিউআর কোড স্ক্যান করা যতটা সহজ মনে হয়, সামান্য অসতর্কতায় এটি ততটাই ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। জালিয়াত চক্র নকল কিউআর কোড ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের অজান্তেই হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
নকল কিউআর কোড যেভাবে কাজ করে
সাইবার অপরাধীরা অনেক সময় আসল কিউআর কোডের ওপর নিখুঁতভাবে অন্য একটি জাল কোড বসিয়ে দেয়। ফলে ব্যবহারকারী যখন স্ক্যান করেন, তখন পেমেন্টটি দোকানদার বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে না গিয়ে সরাসরি চলে যায় প্রতারক চক্রের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। এই ধরনের জালিয়াতি থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা মেনে চলা জরুরি।
প্রতারণা এড়াতে যা করবেন-
কোডটি যাচাই করুন: পেমেন্ট করার আগে কিউআর কোডটি ভালো করে পরীক্ষা করে নিন। দেখুন কোনো স্টিকার বা অন্য কোনো কোড আগের কোডটির ওপর আঠা দিয়ে বসানো আছে কি না।
নাম নিশ্চিত করুন: কিউআর কোড স্ক্যান করার পর পেমেন্ট অ্যাপে (বিকাশ, নগদ বা ব্যাংক অ্যাপ) যে নাম দেখাবে, সেটি সঠিক কি না তা মিলিয়ে নিন। নাম সন্দেহজনক মনে হলে লেনদেন থেকে বিরত থাকুন।

অজানা কোড এড়িয়ে চলুন: লটারি জেতা বা উপহার পাওয়ার লোভে অপরিচিত ইমেইল, মেসেজ বা রাস্তায় থাকা কোনো সন্দেহজনক কিউআর কোড স্ক্যান করবেন না।
তাড়াহুড়া করবেন না: পেমেন্ট করার সময় তাড়াহুড়া করা যাবে না। সব তথ্য সঠিকভাবে দেখে নিয়ে তবেই ‘কনফার্ম’ বাটন প্রেস করুন।
আরও পড়ুন: ফোনের ক্যাশ ক্লিয়ার করার উপায়: স্লো ফোনকে ফাস্ট করার নিয়ম
ভেরিফাইড উৎস: সব সময় অফিশিয়াল বা বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের দেওয়া কিউআর কোড ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
অনলাইন পেমেন্টের এই যুগে সামান্য সতর্কতা ও সচেতনতাই পারে আপনাকে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে।
এজেড