তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৫ এএম
বর্তমান সময়ে ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং এবং উপার্জনের অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠেছে ইনস্টাগ্রাম রিলস। প্রতিদিন লাখ লাখ ভিডিও আপলোড হওয়ায় এখানে প্রতিযোগিতা এখন তুঙ্গে। অনেকেই অভিযোগ করেন, ভালো মানের ভিডিও তৈরি করেও কাঙ্ক্ষিত ভিউ পাওয়া যাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র ভালো ভিডিও নয়, কিছু নির্দিষ্ট সেটিংস এবং কৌশলী ব্যবহারই পারে একটি রিলকে ভাইরাল করতে।
১. প্রফেশনাল মোড সক্রিয় করা
সফল ক্রিয়েটর হওয়ার প্রথম শর্ত হলো নিজের অ্যাকাউন্টটিকে ‘ক্রিয়েটর’ বা ‘বিজনেস’ প্রোফাইলে রূপান্তর করা। এর ফলে ‘ইনসাইটস’ অপশনটি উন্মুক্ত হয়। এখান থেকে আপনার দর্শকরা কখন সক্রিয় থাকে, কোন ধরনের ভিডিও বেশি দেখছে এবং এনগেজমেন্ট কেমন—তার বিস্তারিত ডেটা পাওয়া যায়। এই তথ্যগুলো পরবর্তী কনটেন্ট তৈরির পরিকল্পনা সহজ করে দেয়।
২. পাবলিক প্রোফাইল ও সাজেশন সেটিংস
রিলস ভাইরাল করতে হলে অ্যাকাউন্টটি অবশ্যই ‘পাবলিক’ হতে হবে। প্রাইভেট অ্যাকাউন্টের ভিডিও কখনোই এক্সপ্লোর পেজ বা অপরিচিতদের ফিডে যায় না। এছাড়া সেটিংস থেকে ‘অ্যাকাউন্ট সাজেশন’ অপশনটি চালু রাখতে হবে, যাতে ইনস্টাগ্রাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার কনটেন্ট অন্যদের কাছে পৌঁছে দেয়।

৩. ট্রেন্ডিং অডিও ও সঠিক সময় নির্বাচন
ভিডিওর জন্য সবসময় ট্রেন্ডিং বা জনপ্রিয় অডিও ট্র্যাক নির্বাচন করুন। ইনস্টাগ্রামের অ্যালগরিদম ট্রেন্ডিং মিউজিক যুক্ত ভিডিওগুলোকে বেশি প্রমোট করে। পাশাপাশি, আপনার ফলোয়াররা দিনের যে সময়ে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকেন, ঠিক সেই সময়ে ভিডিও পোস্ট করলে প্রাথমিক এনগেজমেন্ট পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
৪. এনগেজমেন্ট ও ইন্টারঅ্যাকশন
অ্যালগরিদমের কাছে নিজের প্রোফাইলকে প্রাসঙ্গিক রাখতে নিয়মিত দর্শকদের মন্তব্যের উত্তর দিন। অন্যের কনটেন্টে লাইক ও শেয়ারের মাধ্যমে সক্রিয় থাকলে প্ল্যাটফর্মটি আপনার প্রোফাইলকে অগ্রাধিকার দেয়। এছাড়া কন্টেন্ট লাইকের অধীনে নিজের আগ্রহের বিষয়গুলো সঠিকভাবে নির্বাচন করলে ইনস্টাগ্রাম সঠিক দর্শকদের কাছে আপনার ভিডিও পৌঁছে দিতে পারে।
আরও পড়ুন: গুগল আপনার সম্পর্কে কতটুকু জানে? নিজের তথ্য নিজেই নিয়ন্ত্রণ করুন
৫. কনটেন্টের মান ও প্রথম কয়েক সেকেন্ড
সব সেটিংস ঠিক থাকলেও ভিডিওর মান ভালো না হলে দর্শক সেটি দেখবে না। উচ্চমানের ভিজ্যুয়াল এবং স্পষ্ট অডিও নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ করে ভিডিওর প্রথম ৩-৫ সেকেন্ড এমন আকর্ষণীয় হতে হবে যেন দর্শক স্ক্রল করা থামিয়ে পুরো ভিডিওটি দেখে। শিক্ষামূলক, তথ্যবহুল বা নির্মল বিনোদনমূলক ভিডিওর শেয়ার ও সেভ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে, যা ভিডিও ভাইরাল করতে মূল ভূমিকা পালন করে।
এজেড