Dhaka Mail Logo

ফুটবল

বিদায়বেলায় কাঁদলেন মেসি, কাঁদালেন কোটি কোটি ভক্তকে

স্পোর্টস ডেস্ক

০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪১ এএম

দুই দশকের বেশি সময় ধরে আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসি যা দিয়েছেন, তার শেষ অধ্যায়ের সাক্ষী হলো মনুমেন্টাল। যে মাঠে অসংখ্যবার তার পায়ের জাদুতে উচ্ছ্বসিত হয়েছে দর্শক, সেখানেই এবার বিদায়ের মুহূর্তে কাঁদলেন মেসি। আর তার কান্না ছুঁয়ে গেল হাজারো ভক্তের হৃদয়।

রাতে বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ের পর ড্রোন শো আর জনপ্রিয় গায়িকা সোলোদাদ পাস্তোরুত্তির সংগীত পরিবেশনের পর মনুমেন্টালে নেমে আসে সেই আবেগঘন মুহূর্ত। ৮৫ হাজারের বেশি দর্শকের সামনে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলকে বিদায় জানাতে মাইক্রোফোন হাতে নেন ফুটবল কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। কথা বলতে গিয়েই রুদ্ধ হয়ে আসে তার তার কণ্ঠ।

সবার আগে যার কথা মনে পড়ে, তিনি আমার বাবা বলে নিজের বক্তব্য শুরু করেন মেসি। এরপর বলেন, ‘আমি কখনো লড়াই থামাইনি। আর এখানে না আসাটা আমার জন্য অনেক বড় কষ্টের হবে। জাতীয় দলের হয়ে খেলতে আসা সবচেয়ে সুন্দর বিষয়। বিশ্বাস করুন, আমি সারা জীবন এখানে আসতে চাই।’

কথাগুলো বলার সময় আবেগে কিছুক্ষণের জন্য মাথা নিচু করে নিজেকে সামলে নেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

আবেগ কাটিয়ে আবার মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে বলেন, ‘আমার আর কিছু করার নেই, শুধু কৃতজ্ঞতা জানানো ছাড়া। ২০ বছরেরও বেশি সময় এই জার্সি পরতে পেরে আমি ভীষণ গর্বিত। এমনকি সবচেয়ে কঠিন সময়গুলোতেও।’

বিশ্বকাপের ফাইনাল ঘিরে ছড়ানো নানা ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব নিয়েও কথা বলেন মেসি। বলেন, ‘ফাইনালে যেভাবে বলা হয়, তেমন কোনো অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটেনি। আমরা নিজেদের সবটুকু দিয়েছিলাম। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি আমাদের জন্য অনেক বড় ধকলের ছিল।’

বিশ্বকাপের সেই স্মৃতি মনে করিয়ে দিতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে মনুমেন্টাল। মেসির বক্তব্য থামিয়ে গ্যালারি থেকে ভেসে আসে ‘চ্যাম্পিয়ন, এগিয়ে চলো’ স্লোগান। সঙ্গে শুরু হয় আর্জেন্টিনার বিখ্যাত স্লোগান, ‘যে লাফাবে না, সে ইংলিশ।’

দর্শকদের সঙ্গে সুর মিলিয়ে মেসির সতীর্থরাও লাফিয়ে ওঠেন। অধিনায়ককে ঘিরে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে উল্লাসে মেতে ওঠেন তারা।

এমআর