images

ক্রিকেট

ক্রিকেটারদের বয়কট প্রত্যাহার, শুক্রবারই মাঠে ফিরছে বিপিএল

স্পোর্টস ডেস্ক

১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:০৮ এএম

চলমান অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে আবারো মাঠে গড়াচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি কেটে যাওয়ায় বিপিএল স্থগিতের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে বোর্ড। এর ফলে শুক্রবার থেকেই পুনরায় শুরু হচ্ছে টুর্নামেন্ট।

বৃহস্পতিবার রাতে গুলশানের নাভানা টাওয়ারে বিসিবির কার্যালয়ে বোর্ড পরিচালক, কোয়াব প্রতিনিধি ও জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ত্রিমুখী বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত আসে। একই সঙ্গে পরিবর্তিত ম্যাচ সূচিও প্রকাশ করা হয়েছে।

কোয়াবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিসিবির গৃহীত পদক্ষেপে তারা আশ্বস্ত, তবে সংশ্লিষ্ট পরিচালকের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি বহাল থাকবে।

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে নিয়ে পরিচালক নাজমুল ইসলামের এক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ক্রিকেটারদের সঙ্গে বিসিবির টানাপোড়েন তৈরি হয়। ওই ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবারের বিপিএলের ম্যাচও বয়কট করেন ক্রিকেটাররা।

বৃহস্পতিবার রাতে গুলশানের নাভানা টাওয়ারে বিসিবির কার্যালয়ে কোয়াব প্রতিনিধি ও বোর্ড পরিচালকদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা। বৈঠকে অচলাবস্থার অবসান ঘটে এবং ক্রিকেটাররা মাঠে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।

এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বৃহস্পতিবারের স্থগিত দুটি ম্যাচ শুক্রবার আয়োজন করা হবে। আর শনিবারের নির্ধারিত ম্যাচগুলো পুনর্নির্ধারণ করে ১৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে বিসিবি। ফলে টুর্নামেন্টের সূচিতে সাময়িক পরিবর্তন আসলেও লিগ পর্ব নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু জানান, ‘১৮ জানুয়ারি আমাদের বিশ্রামের দিন ছিল। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচগুলো পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারের ম্যাচ শুক্রবার, আর শুক্রবারের ম্যাচ ১৮ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। আমরা সবাই খুশি যে আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধানে পৌঁছাতে পেরেছি।’

এ সময় কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন ও জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজও উপস্থিত ছিলেন। ক্রিকেটারদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে তারা মাঠে ফিরতে প্রস্তুত এবং আশা করছেন, সামনে আর কোনো অচলাবস্থা তৈরি হবে না।

এমআর