স্পোর্টস ডেস্ক
০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৫ পিএম
মিরপুরে দুইবার বাজে শটে আউট হয়ে সমালোচনার ঝড়ে পড়েছিলেন তাওহীদ হৃদয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন টেস্টে তার জায়গা নিয়ে। সিলেটের মাঠে সেই সমালোচনার জবাব দিয়েছেন তিনি নিজের ব্যাটে। দলের কঠিন সময়ে একাই দাঁড়িয়ে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন, তারপর ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিং চালিয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। রানের গতি বাড়িয়েছেন। নিজেও সেঞ্চুরিটাকে বড় করেছেন। ছুঁয়েছেন দেড়শ।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ২৯০ রান।
সাদমান ইসলামের চোটের কারণে এক ব্যাটার কম নিয়ে ইনিংস শুরু করা বাংলাদেশ ভোরে ৮৮ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে ছিল। ৫১ রানে তিন উইকেট পতনের পর চতুর্থ উইকেটে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ৭৩ রানের জুটি গড়েন হৃদয়।
পরে ষষ্ঠ উইকেটে মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে ৪১ রান যোগ হয়। কিন্তু উইকেট পতন থামেনি। ১৮৪ রানে সপ্তম উইকেট হারানোর পর মনে হচ্ছিল ২০০ রানও কষ্টসাধ্য হবে।
সেই সময়ে তাইজুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে অষ্টম উইকেটে দারুণ প্রতিরোধ গড়েছেন হৃদয়। এই জুটিতে অবিচ্ছিন্ন ১০৪ রান যোগ হয়েছে।
লাঞ্চে ৭ উইকেটে ২০৫ রান থেকে পরে বাংলাদেশ ৭ উইকেটে ২৯০ রানে পৌঁছেছে। হৃদয় অপরাজিত ১৬৫ রানে ছিলেন, তাইজুল ২০ রানে। তাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের ৩৫৬ রানের বিপরীতে ব্যবধান কমে এসেছে।