Dhaka Mail Logo

স্পোর্টস / ক্রিকেট

সিলেট টেস্ট জয়ের মধ্য দিয়ে অপরাজিত বছর শেষের লক্ষ্য স্যামির

স্পোর্টস ডেস্ক

০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৩ পিএম

সিলেটে টেস্ট শুরুর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ড্রেসিংরুমে যেন একটু অন্য রকম উত্তেজনা। মিরপুরে সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যেই স্বস্তির জায়গায় পৌঁছে গেছে ক্যারিবীয়রা। সিলেটে হারলেও সিরিজ হারার কোনো আশঙ্কা নেই তাদের। আর এই অর্জনই দলকে দিয়েছে নতুন আত্মবিশ্বাস।

১৯৯৪ সালের পর প্রথমবারের মতো কোনো পঞ্জিকাবর্ষে টেস্ট সিরিজ না হেরে শেষ করার সুযোগ পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেই বছরই শিবনারায়ণ চন্দরপলের টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। কোচ ড্যারেন স্যামি নিজেই সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচের আগের দিনের সংবাদ সম্মেলনে এই পরিসংখ্যান মনে করিয়ে দিয়েছেন।

“আমাদের বিশ্লেষক জেরোম বলেছে, ১৯৯৪-এর পর এই প্রথম আমরা কোনো বছরে টেস্ট সিরিজ হারব না। এরই মধ্যে আমরা নিশ্চিত করেছি সিরিজ হারছি না। এটা আমাদের অগ্রগতির বড় প্রমাণ,” বলেন স্যামি।

তবে শুধু সিরিজ ড্র করেই থেমে থাকতে চান না তিনি। চোখ পরিষ্কার ২-০ বিজয়ে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চলতি চক্রে এটাই ওয়েস্ট ইন্ডিজের শেষ ধাপ। মিরপুরের পর সিলেটেও পূর্ণ পয়েন্ট তুলে নিয়ে চক্রটি স্মরণীয়ভাবে শেষ করতে চান স্যামি।

“আমরা এখানে জিততে এসেছি। সিরিজ ২-০-এ শেষ করার সুযোগ এখন আমাদের হাতে। এই চক্রে এটাই শেষ পদক্ষেপ,” যোগ করেন তিনি।

স্যামির কোচিং ক্যারিয়ারের শুরু সহজ ছিল না। অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও নিউজিল্যান্ডের কঠিন সফর পেরিয়ে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান হয়ে বাংলাদেশে এসে দল স্থিতিশীলতা খুঁজে পেয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

“প্রথম কয়েকটি সিরিজ দেখেই বুঝেছিলাম শুরুটা কঠিন হবে। কিন্তু ড্রেসিংরুমে আমরা বলেছিলাম শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান আর বাংলাদেশে এসে দল গুছিয়ে উঠবে। সেখান থেকেই আসল যাত্রা শুরু। আমরা সেই পথেই আছি।”

সিলেটে জয় পেলে শুধু ডব্লিউটিসি তালিকায় ভালো অবস্থানই নয়, ২০১৪ সালের পর প্রথমবার টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে ছয় নম্বরে ওঠার সুযোগও থাকবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। তবে কাজটা সহজ হবে না বলেই সতর্ক স্যামি।

মিরপুরে হারার পর বাংলাদেশ সিলেটে মরিয়া হয়ে ফিরবে। সাবেক কোচ ফিল সিমন্সের উপস্থিতি সেই লড়াইকে আরও তীব্র করবে বলে মনে করেন তিনি।

“বাংলাদেশকে জানি, ফিল কীভাবে কাজ করে সেটাও জানি। ওরা কামড় দেবেই। সহজে কিছু মিলবে না। কিন্তু আমাদের প্রস্তুতি আছে। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে জয়ী হয়েই বেরোব।”