স্পোর্টস ডেস্ক
২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৭ পিএম
জয় থেকে তখনও ২১ রান দূরে পাকিস্তান, এলবিডব্লিউর আবেদনে শাদাব খানকে আউট দিলেন আম্পায়ার। জয়ের উল্লাসে ফেটে পড়ল ইংল্যান্ড। হতাশ শাদাব ড্রেসিং রুমের পথে হাঁটতে হাঁটতেই নিলেন রিভিউ।
রিপ্লেতে দেখা গেল বল সামান্য স্পর্শ করেছে তার ব্যাটে। যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না শাদাব ও হারিস রউফের। জীবন পেয়ে রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরি করলেন শাদাব, পাকিস্তানকে এনে দিলেন অবিশ্বাস্য এক জয়।
নিশ্চিত হারা ম্যাচে উল্টো এক ১ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে পাকিস্তান। আর সেটি সম্ভব হয়েছে শাদাব খানের ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরিতে। ৯৬ বলে ১১৩ রানের অপরাজিত ইনিংস উপহার দিয়েছেন শাদাব। এতে করে ত্রিদেশীয় সিরিজে পরাজয়ের ধারা অব্যাহত থাকলো ইংল্যান্ডের।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ১৫৪ রানেই ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলে পাকিস্তান। এরপরও পাকিস্তান জয়ের দেখা পায় শাদাব খানের অবিশ্বাস্য সেঞ্চুরিতে।
জবাব দিতে নেমে ফখর জামান ও বাবর আজম ১০ এবং সাইম আইয়ুব সাজঘরে ফেরেন ৬ রান করে। ফখর ও বাবরকে ফেরান অ্যাটকিনসন। সাইম আউট হন ক্রোকম্বের বলে। এরপর চাপ সামাল দেওয়ার প্রচেষ্টায় সাদ বাইগ ও সালমা আলি আগা ৪৩ রানের জুটি গড়েন। ওভারটনের বলে ৩২ রান করে সাদ বাইগ আউট হলে ভাঙে জুটি দলীয় ৭৪৫ রানে। পতন হয় চতুর্থ উইকেটের।
বেশিক্ষণ টেকেননি হাসান নাওয়াজও। ১৫ রান করে ডসনের বলে সাজঘরে ফেরেন পঞ্চম উইকেট হিসেবে দলীয় ১০২ রানে। বোর্ডে ১ রান যোগ হতেই ওভারটনের বলে ১ রানে ফিরে যান আরাফাত মিনহাস। ১০৩ রানে পতন হয় ষষ্ঠ উইকেটের।
২৬ রান করে সালমান আলি আগাও আউট হন। ১২২ রানে ৭ উইকেট হারানো পাকিস্তানের আশা সেখানেই শেষ হয়ে যায়। অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি ৪ ও রাজাউল্লাহ ৮ রানে আউট হন।
১৫৪ রানে ৯ উইকেট হারানো পাকিস্তানের হারের পথ থেকে ফিরিয়ে আনেন শাদাব খান। ৫ ছক্কা ও ১৩ চারে তিনি অপরাজিত ছিলেন ১১৩ রানে। তাতেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। তাকে সঙ্গ দিয়ে হারিস রউফ অপরাজিত ছিলেন ৭ রানে।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি। এরপর প্রথম ১০ ওভারের মধ্যেই স্বাগতিকরা তুলে নেয় ইংল্যান্ডের ৪ উইকেট। ডাকেটের সেঞ্চুরিতে শেষ পর্যন্ত ২৪১ রানের পুঁজি পায় ইংলিশরা।
এআরএম