স্পোর্টস ডেস্ক
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৭ পিএম
দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচেও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বেশ হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়েছে ব্রাজিল। আক্রমণ ও প্রতিআক্রমণে ভরা রোমাঞ্চকর প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয় ২-২ সমতায়। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে উইঙ্গার রাফিনিয়ার স্পট কিক থেকে করা গোলে পিছিয়ে পড়ার হাত থেকে রক্ষা পায় সেলেসাওরা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। ব্রুনো গিমারেসের পর ম্যাচের শেষদিকে স্পটিকিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলে হারায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের শুরুটা দারুণভাবে করে শুরুতেই এগিয়ে গিয়েছিল ব্রাজিল। ম্যাচের ৩ মিনিটের মাথায় ভ্যান্ডারসনের গোলে লিড নেয় আনচেলত্তির শিষ্যরা। তবে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। উইং ব্যবহার করে একের পর এক আক্রমণ সাজিয়ে সাফল্য পায় সকারুজরা।
২৮ মিনিটে কনর মেটকাফের মাপা ক্রস থেকে দারুণ বাঁকানো হেডারে সমতা ফেরান আলেসান্দ্রো সারকাতি। এর কিছু পরেই চমৎকার এক দলীয় আক্রমণ থেকে নিজেই ফিনিশিং টেনে অস্ট্রেলিয়াকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন মেটকাফ।
বিরতির ঠিক আগ মুহূর্তে বক্সে ব্রাজিলের ডিফেন্ডার দানিলোকে ফাউল করে বসেন অজি ডিফেন্ডার হ্যারি সাউটার। রেফারির দেওয়া পেনাল্টি থেকে ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়িয়ে ব্রাজিলকে ২-২ সমতায় ফেরান রাফিনিয়া। দুই দল বিরতিতে যায় ২-২ সমতা নিয়ে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই জয়ের লক্ষ্যে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে ব্রাজিল। দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর ২৪ মিনিট পর ব্যবধান বাড়ায় ব্রাজিল। ৬৯ মিনিটে এনদ্রিকের অ্যাসিস্টে বাঁ পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন গিমারেস।
তৃতীয় গোল করার পর দ্রুতই চতুর্থ গোলের দেখাও পায় সেলেসাওরা। ৮০ মিনিটে ফের পেনাল্টি পায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আর এবার স্পটকিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ভিনি জুনিয়র।
৪ গোল হজম করার পর ম্যাচের ফেরার লক্ষ্যে ব্রাজিলের দুর্গে আক্রমণ চালাতে শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। তবে ফিনিশিং ব্যর্থতায় গোল আদায় করে নিতে পারেনি সকারুরা। অতিরিক্ত সময়ে ৪ মিনিট বাড়িয়ে দিলেও আর কোনো গোল হয়নি। অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়েই মাঠ ছেড়েছে ব্রাজিল।