স্পোর্টস ডেস্ক
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪০ এএম
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর মাঠে ফেরার প্রথম পরীক্ষাতেই নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিল স্পেন। ওয়েম্বলির উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ে একসময় ২-১ গোলে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে লা রোহা। ম্যাচের শেষ ভাগে বদলি হিসেবে নামা অ্যালেক্স বায়েনা ও মিকেল ওইয়ারসাবালের গোলে জয় নিশ্চিত করে স্পেন।
২০২৬-২৭ উয়েফা নেশন্স লিগের গ্রুপ এ৩-এর ম্যাচে মুখোমুখি হয় দুই দল। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় স্পেন। ম্যাচের মাত্র দুই মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগের ভুল কাজে লাগিয়ে বল দখলে নিয়ে গোল করেন লামিন ইয়ামাল। দ্রুত গোল হজম করে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা।
তবে প্রথমার্ধের শেষ দিকে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় ইংল্যান্ড। ৩৬ মিনিটে জুড বেলিংহামের বাড়ানো বল থেকে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান অ্যান্থনি গর্ডন। এর মাত্র চার মিনিট পরই আবার আঘাত হানে স্বাগতিকরা। নিকো ও’রাইলির ক্রস থেকে হেডে বল জালে পাঠান অধিনায়ক হ্যারি কেইন। ফলে বিরতিতে ২-১ গোলে এগিয়ে থেকেই মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ানোর বড় সুযোগ আসে ইংল্যান্ডের সামনে। বেলিংহামকে ফাউল করার ঘটনায় ভিএআর পর্যালোচনার পর স্পেনের বিপক্ষে পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা। কিন্তু স্পটকিক থেকে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি কেইন। তার নেওয়া শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। এই মুহূর্তটিই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
এরপর বদলি খেলোয়াড়দের কাজে লাগিয়ে ম্যাচে ফেরে স্পেন। ৬০ মিনিটে দানি ওলমোর কাছ থেকে বল পেয়ে জোরালো শটে গোল করেন অ্যালেক্স বায়েনা। তাতে ২-২ সমতায় ফেরে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
সমতা ফেরানোর পরও থামেনি স্পেন। ৭৪ মিনিটে বায়েনার পাস থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোল করেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। এর ফলে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় অতিথিরা। শেষ ১৬ মিনিটে একাধিকবার চেষ্টা করেও আর গোলের দেখা পায়নি ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্পেন।