স্পোর্টস ডেস্ক
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৪ এএম
গোল হলেই দুই হাত দিয়ে ‘৩০৪’ বানিয়ে উদযাপন করেন লামিনে ইয়ামাল। ফুটবলপ্রেমীদের কাছে এখন এটি তার পরিচিত স্বাক্ষর। কিন্তু এই সংখ্যার পেছনের গল্পটা কী? বার্সেলোনার তরুণ তারকার শৈশবের ঘনিষ্ঠ বন্ধু সোহাইব সেই রহস্য উন্মোচন করেছেন। তার কথায়, এই উদযাপন গভীরভাবে জড়িয়ে আছে ইয়ামালের বেড়ে ওঠার এলাকা রোকাফোন্ডার সঙ্গে।
২০২৬ বিশ্বকাপে প্রত্যাশামতো পারফরম্যান্স না দেখালেও চলতি মৌসুমে আবার নিজের ছন্দে ফিরেছেন ইয়ামাল। লা লিগায় শেষ দুই ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন তিনি। মাঠে যেমন নজর কাড়ছেন, তেমনি মাঠের বাইরেও কাছের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটাতে পছন্দ করেন।
ইয়ামালের ঘনিষ্ঠদের মধ্যে আছেন বাবা মুনির নাসরাউই, মা শেইলা এবানা, প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়া ও কাজিন মোহাম্মদ আবদ। তাদের পাশাপাশি শৈশবের সেরা বন্ধু সোহাইবের সঙ্গেও তার সম্পর্ক বিশেষ। স্প্যানিশ টিভি অনুষ্ঠান ‘তার্দে এআরকে’-তে এক সাক্ষাৎকারে ইয়ামালের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও শৈশবের স্মৃতি নিয়ে কথা বলেছেন সোহাইব।
উপস্থাপক আনা রোসা কুইন্তানার মুখোমুখি হয়ে সোহাইব বলেন, সুযোগ পেলেই তারা একসঙ্গে সময় কাটান। ইয়ামালকে নিজের ভাইয়ের মতোই মনে করেন তিনি। রোকাফোন্ডার একটি পার্কে ছয় বছর বয়সে তাদের বন্ধুত্ব শুরু হয়। সেই সময়ের কথা মনে করে সোহাইব বলেন, ছোটবেলা থেকেই ইয়ামালের ফুটবল প্রতিভা স্পষ্ট ছিল। তাকে প্রায়ই বলতেন, চাইলে একদিন বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় হওয়া সম্ভব, কিন্তু সেই বিশ্বাস নিজের ভেতর থেকেই আসতে হবে।
খ্যাতি ও সাফল্যের শিখরে উঠেও ইয়ামালের স্বভাব বদলায়নি বলে জানান সোহাইব। সবচেয়ে আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠেছে তার গোল উদযাপনের সেই ‘৩০৪’। গোল ডটকমের প্রতিবেদন অনুসারে, দুই হাত দিয়ে ‘৩০৪’ চিহ্ন বানানোর এই উদযাপন রোকাফোন্ডার পোস্টাল কোডের শেষ তিন সংখ্যার সঙ্গে সম্পর্কিত।
সেই উদযাপনের জন্ম কীভাবে হয়েছিল, সেটিও জানিয়েছেন সোহাইব। তার ভাষায়, যুব দলের কোপা দেল রের একটি ম্যাচের আগে রোকাফোন্ডায় থাকা অবস্থায় ইয়ামাল নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে কিছু প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন। তখনই তাকে ‘৩০৪’ সংকেতটি করার পরামর্শ দেন সোহাইব। এলাকায় সংখ্যাটি তারা নিয়মিত ব্যবহার করতেন। ইয়ামালের ভঙ্গিটি পছন্দ হয়ে যায়। এরপর থেকেই গোল পেলেই ‘৩০৪’ উদযাপনকে নিজের স্বাক্ষরে পরিণত করেছেন বার্সেলোনার ১০ নম্বর তারকা।
সূত্র: গোল ডটকম