Dhaka Mail Logo

স্পোর্টস / ফুটবল

একই দলের হয়ে খেলবেন মেসি-রোনালদো!

স্পোর্টস ডেস্ক

০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৫ পিএম

বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর বহু প্রতীক্ষিত এক স্বপ্নের পুনরাবৃত্তি ঘটতে যাচ্ছে। একই ক্লাবের জার্সিতে একই সাথে মাঠে নামতে পারেন ফুটবলের দুই সর্বকালের সেরা মহাতারকা লিওনেল মেসি এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। আর্জেন্টিনার সাবেক তারকা ফুটবলার কার্লোস তেভেজের বহুল প্রতীক্ষিত বিদায়ী প্রদর্শনী ম্যাচে একসাথে খেলার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এই দুই মহাতারকার।

আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম 'টিওয়াইসি স্পোর্টস'-এর তথ্য অনুযায়ী, বোকা জুনিয়রসের ঐতিহাসিক লা বোম্বোনেরা স্টেডিয়ামে আগামী ডিসেম্বরে এক জমকালো বিদায়ী ম্যাচের পরিকল্পনা করছেন তেভেজ। বোকা জুনিয়রসের সভাপতি হুয়ান রোমান রিকুয়েলমে ইতোমধ্যে স্টেডিয়াম ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন। আর্জেন্টিনার ঘরোয়া লিগ মৌসুমের সমাপ্তি ও বোকার সূচির ওপর ভিত্তি করে আগামী ১২-১৩ ডিসেম্বর কিংবা ১৯-২০ ডিসেম্বরের সপ্তাহান্তে ম্যাচটি আয়োজনের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হচ্ছে।

বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের নানা ধাপে পাশে পাওয়া প্রায় ৬০ জন সাবেক সতীর্থ ও ফুটবল ব্যক্তিত্বকে এই ম্যাচে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করেছেন তেভেজ। প্রস্তাবিত ফরম্যাট অনুযায়ী, একদল গঠিত হবে তেভেজের শৈশবের বন্ধু ও পরিচিতদের নিয়ে, আর অন্য দলটিতে থাকবেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার সিটির মতো ক্লাবে তাঁর সাথে ড্রেসিংরুম ভাগ করে নেওয়া সতীর্থরা।

ম্যাচের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ তৈরি হয়েছে সেখানেই। আর্জেন্টাইন সতীর্থ হিসেবে লিওনেল মেসিকে যেমন আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন তেভেজ, তেমনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে একসাথে খেলার সুবাদে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকেও আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। যদি দুই সতীর্থই এই আমন্ত্রণে সাড়া দেন, তবে ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্ব ফুটবলের এই দুই জীবন্ত কিংবদন্তিকে একই দলের হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে খেলতে দেখা যেতে পারে।

২০২২ সালের জুনে পেশাদার ফুটবল থেকে অবসর নেওয়া ৩৮ বছর বয়সী কার্লোস তেভেজের ক্যারিয়ার ছিল সাফল্যের আলোয় ঝলমলে। বোকা জুনিয়রস, ওয়েস্ট হ্যাম, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার সিটি ও ইউভেন্টাসের হয়ে তিনি ১১টি বড় ট্রফি জিতেছেন এবং ২৭৯ ম্যাচে ৯৪টি গোল করেছেন। পরবর্তীতে কোচিং পেশায় যুক্ত হয়ে রোসারিও সেন্ট্রাল, ইন্দিপেন্দিয়েন্তে ও তায়েরেস কর্দোবার মতো ক্লাবের দায়িত্ব পালন করা এই সাবেক ফরোয়ার্ডের বিদায়ী ম্যাচ তাই বিশ্ব ফুটবলে এক স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকার আভাস দিচ্ছে।