Dhaka Mail Logo

স্পোর্টস / ক্রিকেট

ছেলে থেকে হয়েছেন মেয়ে, এবার পেলেন ক্রিকেটে ফেরার অনুমতি

স্পোর্টস ডেস্ক

২৭ আগস্ট ২০২৬, ১১:২৬ এএম

ছোটবেলায় মুম্বাইয়ের মাঠে সারফরাজ খানের সঙ্গে ব্যাট হাতে দাঁড়িয়েছিলেন অনয়া বাঙ্গার। সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার সঞ্জয় বাঙ্গারের সন্তান হিসেবে বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে নাম করেছিলেন। কিন্তু জীবনের বড় পরিবর্তনের পর একসময় মনে হয়েছিল, ক্রিকেট হয়তো আর ফিরবে না। এবার সেই আশঙ্কা দূর হয়েছে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া থেকে এসেছে সবুজ সংকেত।

অনয়া নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার অফিসিয়াল চিঠির ছবি শেয়ার করে জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের মার্চ থেকে তিনি অস্ট্রেলিয়ার এলিট নারী ক্রিকেটে খেলার যোগ্য। চলতি বছরের মার্চে তিনি জেন্ডার-অ্যাফার্মিং সার্জারি করান। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার দেওয়া মেডিক্যাল তথ্যের ভিত্তিতে।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার নীতি অনুযায়ী, এলিট নারী ক্রিকেটে খেলতে হলে খেলোয়াড়ের সেরাম টেস্টোস্টেরনের মাত্রা অন্তত ১২ মাস ধরে একটানা ১০ ন্যানোমোলের নিচে রাখতে হয়। অনয়াকেও এই শর্তসহ অন্যান্য যোগ্যতার নিয়ম মেনে চলতে হবে।

এই অনুমতির ফলে তিনি নারী বিগ ব্যাশ লিগে (ডাব্লিউপিএলে) খেলার সুযোগ পেতে পারেন, কারণ এটি এলিট ক্যাটাগরিতে পড়ে। তবে চুক্তির কোনো নিশ্চয়তা নেই। পাশাপাশি তিনি অস্ট্রেলিয়ার যেকোনো রাজ্য বা টেরিটরিতে প্রিমিয়ার ক্রিকেটেও অংশ নিতে পারবেন।

anay

বোম্বে টাইমসকে অনয়া বলেছেন, “আমি এখন ২০২৭ সালের মার্চ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় নারী বিগ ব্যাশ লিগে খেলার যোগ্য। এটা আমার জন্য খুবই আবেগঘন মুহূর্ত। একসময় সত্যিই মনে হয়েছিল ক্রিকেট চিরতরে হারিয়ে ফেলেছি।”

তিনি আরও জানিয়েছেন, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার এই অনুমতি শুধু প্রথম ধাপ। এখন মূল কাজ হবে নিজের ফিটনেস ফিরিয়ে আনা, তারপর ডাব্লিউপিএলের সুযোগের পেছনে ছোটা।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) পুরুষ বয়ঃসন্ধি অতিক্রম করা ট্রান্সজেন্ডার নারীদের এলিট আন্তর্জাতিক নারী ক্রিকেটে খেলতে দেয় না। কিন্তু ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া নীতি আলাদা। সেই নীতির অধীনেই অনয়া ২০২৭ সালের মার্চ থেকে অস্ট্রেলিয়ার এলিট নারী ক্রিকেটে যোগ্য হয়েছেন, শর্ত হলো নীতির সব নিয়ম মেনে চলা।