স্পোর্টস ডেস্ক
০১ আগস্ট ২০২৬, ০৮:০০ পিএম
নাগপুরের এক ছোট্ট বাড়িতে আশা আর স্বপ্নের শেষ হয়ে গেল এক ১৭ বছরের মেয়ের। অদিতি চৌখান্ডে নামের এই কিশোরী ক্রিকেটার ছিলেন আকোলার বাসিন্দা। ক্রিকেট মাঠে তার প্রতিভা সবাই চিনতেন। কিন্তু দলে সুযোগ না পাওয়ার তীব্র হতাশা তাকে এমন এক সিদ্ধান্তে ঠেলে দিল, যা পরিবার ও কাছের মানুষদের শোকে ভাসিয়ে দিয়েছে।
অদিতি মা ও দাদুর সঙ্গে নাগপুরে থাকতেন। বাবা মহারাষ্ট্র সরকারের গণপূর্ত বিভাগের ঠিকাদার হিসেবে আকোলায় থাকেন। এ বছরই তিনি উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছিলেন। ভাইয়ের সঙ্গে নিয়মিত ক্রিকেট অনুশীলন করতেন তিনি। স্বপ্ন ছিল বড় মঞ্চে খেলা। কিন্তু সেই স্বপ্ন বারবার আটকে যাচ্ছিল।
বুধবার রাতে মায়ের সঙ্গে খাবার শেষ করে নিজের ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন অদিতি। সে সময় বাবা ও দাদু বাড়িতে ছিলেন না। ভাইও খেলতে অন্য শহরে ছিলেন। পরে জানা যায়, তিনি চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
একটি চিরকুটে তিনি লিখে গিয়েছিলেন, “ভাই, তুমি খুব ভালো খেলো। আমিও একজন বড় ক্রিকেটার হতে চেয়েছিলাম। তুমি বাবা-মাকে গর্বিত করবে। আমি দলে সুযোগ পাই না। খুব হতাশ।”
নাগপুরের বাজাজ নগর থানার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা চেতন চৌহান জানিয়েছেন, দলে সুযোগ না পাওয়ার হতাশা থেকেই অদিতি এই পথ বেছে নিয়েছেন। পরের ধাপের দলে জায়গা পাওয়ার আশায় তিনি বেশ কিছুদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন। হঠাৎ করেই সেই হতাশা তাকে গ্রাস করে ফেলে। পুলিশ জানিয়েছে, দলে সুযোগ না পাওয়ার আসল কারণ নিয়েও তদন্ত চলতে পারে।