স্পোর্টস ডেস্ক
২৯ জুলাই ২০২৬, ১১:২২ এএম
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯০ রানের বড় ব্যবধানে হেরে বিদেশের মাটিতে টানা অষ্টম টেস্টে পরাজয়ের স্বাদ পেল পাকিস্তান ক্রিকেট দল। বিদেশের মাটিতে নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে পাকিস্তান দলের এটিই এখন দীর্ঘতম হার বা পরাজয়ের রেকর্ড।
২০২৩ সালের ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়া সফর দিয়ে শুরু হওয়া এই বিপর্যয়কর যাত্রায় বিদেশের মাটিতে একটি ম্যাচও জিততে পারেনি পাকিস্তান। ত্রিনিদাদের তারুবার ব্রায়ান লারা ক্রিকেট একাডেমিতে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে ২১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১২০ রানে অলআউট হয়ে যায় বাবর আজমের দল।
দ্বিতীয় ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডানহাতি পেসার জেইডেন সিলসের পেস আক্রমণে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ। মাত্র ২০ রান খরচ করে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন তিনি। একপর্যায়ে মাত্র ৭১ রানেই ৯ উইকেট হারিয়ে পরাজয়ের মুখোমুখি হয়েছিল অতিথিরা।
সেখান থেকে ১০৭ বলে ৯টি চারে অপরাজিত ৫৮ রানের ক্যারিয়ারের ৩২তম টেস্ট ফিফটি উপহার দিয়ে শেষ উইকেট সঙ্গী মোহাম্মদ আব্বাসকে (২৩) সাথে নিয়ে ৪৯ রানের প্রতিরোধ গড়ে পরাজয়ের ব্যবধানই কেবল কিছুটা কমান পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। স্বাগতিকদের পক্ষে কেমার রোচ এবং জাস্টিন গ্রিভস ২টি করে উইকেট নেন। এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ক্যারিবীয়রা।
বিদেশের মাটিতে পাকিস্তানের টানা ৮ টেস্ট হারের পরিসংখ্যান:
১. অস্ট্রেলিয়া, পার্থ (ডিসেম্বর ২০২৩) – ৩৬০ রানে পরাজিত।
২. অস্ট্রেলিয়া, মেলবোর্ন (ডিসেম্বর ২০২৩) – ৭৯ রানে পরাজিত।
৩. অস্ট্রেলিয়া, সিডনি (জানুয়ারি ২০২৪) – ৮ উইকেটে পরাজিত।
৪. দক্ষিণ আফ্রিকা, সেঞ্চুরিয়ন (ডিসেম্বর ২০২৪) – ২ উইকেটে পরাজিত।
৫. দক্ষিণ আফ্রিকা, কেপ টাউন (জানুয়ারি ২০২৫) – ১০ উইকেটে পরাজিত।
৬. বাংলাদেশ, ঢাকা (মে ২০২৬) – ১০৪ রানে পরাজিত।
৭. বাংলাদেশ, সিলেট (মে ২০২৬) – ৭৮ রানে পরাজিত।
৮. ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ত্রিনিদাদ (জুলাই ২০২৬) – ৯০ রানে পরাজিত।