স্পোর্টস ডেস্ক
২৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৫০ এএম
বিশ্ব ফুটবলে এখন শুধু মাঠের লড়াই নয়, খেলোয়াড়দের বাজারমূল্য নিয়েও চলছে তুমুল আলোচনা। সময়ের সঙ্গে বদলে যাচ্ছে ফুটবলের অর্থনৈতিক চিত্র, আর সেই পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন নতুন প্রজন্মের দুই মহাতারকা। সর্বশেষ মূল্যায়নে এমন এক রেকর্ড গড়েছেন লামিন ইয়ামাল ও এরলিং হালান্ড, যা আগে কোনো ফুটবলারের ক্ষেত্রেই দেখা যায়নি।
খেলোয়াড়দের বাজারমূল্য নির্ধারণে বিশ্বজুড়ে পরিচিত প্রতিষ্ঠান ট্রান্সফারমার্কেটের নতুন হালনাগাদে লামিন ইয়ামাল ও হলান্ড দুজনেরই বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ২২ কোটি ইউরো। এর ফলে তারা যৌথভাবে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবলারের স্বীকৃতি পেয়েছেন। ট্রান্সফারমার্কেটের ইতিহাসে এটিই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ বাজারমূল্যের নতুন রেকর্ড।
অল্প বয়সেই লামিন ইয়ামাল নিজের প্রতিভা দিয়ে ফুটবল বিশ্বকে মুগ্ধ করেছেন। ক্লাব ও জাতীয় দলের জার্সিতে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স, ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে প্রভাব বিস্তার এবং ভবিষ্যতের বিশাল সম্ভাবনার কারণেই তার বাজারমূল্য নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। অন্যদিকে গোল করার অসাধারণ দক্ষতা ও দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক সাফল্যের সুবাদে সমান মূল্যায়ন পেয়েছেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার এরলিং হালান্ড।
সর্বশেষ তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার বর্তমান বাজারমূল্য ২০ কোটি ইউরো। চতুর্থ স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন জার্মানির আক্রমণভাগের ফুটবলার মাইকেল অলিসে, যার বাজারমূল্য ১৭ কোটি ইউরো। আর পঞ্চম স্থানে আছেন ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যাম। তার বর্তমান বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ কোটি ইউরো।
নতুন এই মূল্যায়ন স্পষ্ট করে দিয়েছে, আধুনিক ফুটবলে তরুণ খেলোয়াড়দের গুরুত্ব ও চাহিদা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি বেড়েছে। কোনো ফুটবলারের বাজারমূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে তার বয়স, ধারাবাহিক পারফরম্যান্স, ভবিষ্যতের সম্ভাবনা, চুক্তির মেয়াদ এবং ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে অবদান—সবকিছুই বিবেচনায় নেওয়া হয়। এসব দিক থেকে ইয়ামাল ও হালান্ড বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবলার হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন।