স্পোর্টস ডেস্ক
০৮ জুন ২০২৬, ১২:১১ পিএম
বিশ্বকাপে যদি একটি গ্রুপ দেখতে চান যেখানে চ্যাম্পিয়নশিপের স্বপ্ন, নতুন তারকার উত্থান আর ইতিহাসের নতুন অধ্যায় একসঙ্গে মিলবে, তাহলে গ্রুপ এইচ ছাড়া আর কোথাও যাবেন না। স্পেনের মতো ফেভারিট দলের সঙ্গে আছে আফ্রিকার ছোট দেশ কেপ ভার্দের প্রথমবারের অভিজ্ঞতা, সৌদি আরবের আত্মবিশ্বাস আর উরুগুয়ের নতুন প্রজন্মের লড়াই। এই চার দলের আদ্যোপান্ত দেখে নিন এক নজরে।
স্পেন এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম বড় ফেভারিট। ২০১০ সালে শিরোপা জেতার ১৬ বছর পর তারা আবার শিরোপার দাবিদার। ২০২২ সালে রাউন্ড অব ১৬-তে বেরিয়ে যাওয়ার পর এবার প্রতিশোধ নিতে মুখিয়ে আছে লা রোজা।
সবচেয়ে বড় আকর্ষণ তরুণ সেনসেশন লামিনে ইয়ামাল। মাত্র ১৮ বছর বয়সী এই বার্সেলোনা উইঙ্গার ইতিমধ্যে ২৩টি ম্যাচ খেলে ফেলেছেন জাতীয় দলে। ২০২৪ সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের নায়ক তিনি। পেড্রি ও ব্যালন ডি’অর বিজয়ী রদ্রির সঙ্গে মাঝমাঠ ও আক্রমণভাগে তারা অপ্রতিরোধ্য শক্তি। তবে ইয়ামাল হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি থেকে সেরে উঠছেন, উদ্বোধনী ম্যাচে তার খেলা নিয়ে সবাই আশাবাদী।
আফ্রিকার ছোট দেশ কেপ ভার্দ এবারই প্রথম বিশ্বকাপে খেলছে। স্বাধীনতার পর (১৯৭৫) ধীরে ধীরে ফুটবল গড়ে তোলা এই দেশের জন্য এটা স্বপ্নের মতো।
ম্যানেজার পেদ্রো লেইতাও ব্রিটো (বুবিস্তা) নিজে একসময় জাতীয় দল গড়ে তোলায় ভূমিকা রেখেছিলেন। ঘরের মাঠে অপরাজিত থেকে তারা যোগ্যতা অর্জন করেছে। দেশের সর্বোচ্চ গোলদাতা রায়ান মেন্ডেসসহ দলটি চমক দেখাতে চায়।
২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল সৌদি আরব। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়ে তারা আবার মাঠে নামছে। সৌদি প্রো লিগ এখন বিশ্বের বড় তারকাদের আকর্ষণ করছে, এবার সেই শক্তি জাতীয় দলেও দেখাতে চায় গ্রিন ফ্যালকনস।
সালেম আল দাওসারি, সৌদ আব্দুলহামিদসহ কয়েকজন অভিজ্ঞ ও উদীয়মান খেলোয়াড় দলকে এগিয়ে নেবেন। ১৯৯৪ সালে আমেরিকায় প্রথম খেলার পর এবারও যুক্তরাষ্ট্রেই ফিরছে তারা।
লুইস সুয়ারেজ ও এডিনসন কাভানির বিদায়ের পর উরুগুয় নতুন যুগ শুরু করছে। এবার দলের নায়ক ফেদেরিকো ভালভার্দে। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে দারুণ মৌসুম কাটানো এই মিডফিল্ডার দলকে নেতৃত্ব দেবেন।
মার্সেলো বিয়েলসা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে তৃতীয় ভিন্ন দেশকে কোচিং করাবেন। ১৯৩০ ও ১৯৫০ সালের চ্যাম্পিয়ন উরুগুয় ২০২২-এ গ্রুপ থেকে বের হতে পারেনি। এবার আবার পুরনো গৌরব ফিরিয়ে আনতে চায় লা সেলেস্তে।