স্পোর্টস ডেস্ক
২৮ মে ২০২৬, ০৭:০৮ পিএম
পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে ২০০২ সালের পর থেকে ‘হেক্সা’ অর্থাৎ ষষ্ঠবারের বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন অধরা রয়েগেছে। দুই দশকেরও বেশি সময় কেটে গেলেও সেলেসাওরা সেই স্বপ্ন পূরণে সফল হয়নি। প্রতিবারই তারকাখচিত দল নিয়ে বিশ্বকাপ শুরুকরলেও, নকআউট পর্বের কঠিন চোরাবালিতে আটকে যাওয়াই নিয়তি হয়েছে। ফুটবলবিশ্বের বিশ্লেষকরা ব্রাজিলের এই ব্যর্থতার পেছনেনানা কৌশলগত ও মানসিক কারণ খুঁজে পেয়েছেন। তবে এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের গোলকিপার ওয়েভারতন একদম ভিন্ন একদৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছেন।
ওয়েভারতনের মতে, ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ জয়ের জন্য কৌশল বা প্রতিভার অভাব নয়, বরং দলের মধ্যে ব্যক্তিগত অহংকার ও দম্ভকে ঝেড়েফেলা সবচেয়ে জরুরি। ফিফাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “দলের সবাই নিজেদের লক্ষ্যের প্রতি কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, সেটাই মূলবিষয়। ব্যক্তিগত অহংকার পেছনে ফেলে সবাইকে একই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের দলে দুর্দান্ত খেলোয়াড় রয়েছেন, যারাএই সুযোগটি লুফে নিতে এবং ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে নিজেদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখিয়ে রাখতে সবকিছু করতে প্রস্তুত।”
ব্রাজিলের প্রধান দুই গোলকিপার হিসেবে বিবেচিত লিভারপুলের আলিসন বেকার ও ম্যানচেস্টার সিটির এডারসনের পাশে তৃতীয় বিকল্পহিসেবে ডাক পাওয়া ওয়েভারতন তার সুযোগ পাওয়ার অনুভূতি নিয়ে বলেন, “গত কয়েক দিন ছিল অত্যন্ত বিশেষ, মনটা আনন্দ আরকৃতজ্ঞতায় ভরে আছে। মহান সৃষ্টিকর্তা এবং আমাকে সাহায্য করা সকলের প্রতি আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আমাদের সামনে ইতিহাসগড়ার সুযোগ এসেছে, এমন একটি দেশের প্রতিনিধিত্ব করার যারা ফুটবলকে পাগলের মতো ভালোবাসে। ব্রাজিলকে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ ট্রফিএনে দেওয়ার মিশনে পুরো দেশ আমাদের পাশে থাকবে।”
২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ওয়েভারতন ব্রাজিল স্কোয়াডের অংশ ছিলেন, যেখানে তারা কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে বিদায়নিয়েছিল। এবার ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য কোচ কার্লো আনচেলোত্তির চূড়ান্ত স্কোয়াডে তার স্থান পাওয়া ছিল চমকপ্রদ। তিনি আলিসন ওএডারসনের সঙ্গে গোলকিপিংয়ের দায়িত্ব ভাগাভাগি করবেন। ওয়েভারতন বলেন, “তারা দুজনেই অসাধারণ খেলোয়াড় এবং মানুষহিসেবে অনন্য। আমি ভাগ্যবান যে তাদের বন্ধু হিসেবে পেয়েছি। আমরা একে অপরকে অনুশীলনে উদ্বুদ্ধ করি যাতে সবাই সর্বোচ্চ স্তরেথাকতে পারে। মাঠে যিনি খেলুন না কেন, বাকিরা সবসময় তাকে উৎসাহ দেবে।”
ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ মিশনের চূড়ান্ত লড়াই শুরু হওয়ার আগে দল দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। ৩১ মে পানামা এবং ৭ জুন মিশরের বিপক্ষেমাঠে নামবে সেলেসাওরা। এরপর ১৪ জুন মরক্কোর বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত অভিযান।
ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ মিশনের চূড়ান্ত লড়াই শুরু হওয়ার আগে দল দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। ৩১ মে পানামা এবং ৭ জুন মিশরের বিপক্ষেমাঠে নামবে সেলেসাওরা। এরপর ১৪ জুন মরক্কোর বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত অভিযান।