images

স্পোর্টস / ক্রিকেট

রানাকে নিয়ে ওয়াসিম আকরাম— ‘তার সামনে রয়েছে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ’

স্পোর্টস ডেস্ক

০৪ মে ২০২৬, ০৪:৫২ পিএম

বাংলাদেশ ক্রিকেটে নতুন এক গতির ঝড়ের নাম এখন নাহিদ রানা। সীমিত সুযোগ পেয়েও তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন মঞ্চ যত বড়ই হোক, নিজেকে প্রমাণ করার জন্য কয়েকটা ম্যাচই যথেষ্ট।

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) সর্বশেষ আসরে পেশোয়ার জালমির হয়ে দ্বিতীয়বার খেলতে নামেন এই তরুণ পেসার। আগের আসরে মাত্র একটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন, তাই নিজের সামর্থ্য তুলে ধরার সুযোগও খুব একটা পাননি। তবে এবারের গল্প একেবারেই ভিন্ন।

পুরো টুর্নামেন্ট খেলতে না পারলেও মাঠে নামলেই আলো ছড়িয়েছেন নাহিদ। বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের কারণে মাঝপথে দেশে ফিরতে হয়েছিল তাকে। পরে ফাইনালের আগে বোর্ডের অনুমতি নিয়ে আবার দলে যোগ দেন। আর সেই সুযোগই তিনি কাজে লাগান দুর্দান্তভাবে।

ফাইনাল ম্যাচে চার ওভারে মাত্র ২২ রান দিয়ে তুলে নেন ২ উইকেট। যা ম্যাচের গতি বদলে দেওয়ার মতো পারফরম্যান্স। পুরো আসরে ৫ ম্যাচ খেলে ৯ উইকেট শিকার করেন তিনি। ১৮ ওভারে মাত্র ৯৮ রান দিয়ে তার ইকোনমি দাঁড়ায় ৫.৪৪। যা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সত্যিই নজরকাড়া।

তবে শুধু পরিসংখ্যান নয়, তার আসল শক্তি ছিল গতি। প্রায় প্রতিটি বলই করেছেন ঘণ্টায় ১৪৫-১৫০ কিলোমিটার গতিতে, যা প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের চাপে ফেলেছে নিয়মিত।

এই পারফরম্যান্স নজর এড়ায়নি পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরামেরও। ধারাভাষ্যের সময় তিনি নাহিদের প্রশংসা করে বলেন, ‘গতি বলতে এটাই বোঝায়। সে তাদের সবাইকে সমস্যায় ফেলেছিল। ঘণ্টায় ১৪৫-১৫০ কিলোমিটার গতিতে তার দৌড়ানোর ভঙ্গিটা দারুণ। সহজ অ্যাকশন। মোটেও জটিল নয়। তার সামনে রয়েছে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ।’

শুধু গতি নয়, বুদ্ধিতেও মুগ্ধ করেছেন নাহিদ। ফাইনালে এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে হুনাইন শাহকে ১৪৮ কিলোমিটার গতির ইয়র্কারে বোল্ড করার আগে তিনি ফিল্ডিং সেটআপে পরিবর্তন আনেন। দেখে মনে হচ্ছিল শর্ট বল আসবে, কিন্তু হঠাৎ ফুল লেন্থ ডেলিভারিতে ব্যাটারকে চমকে দেন। এই পরিকল্পনাই তার ক্রিকেটীয় পরিপক্বতার প্রমাণ দেয়।

এসটি