images

স্পোর্টস / ক্রিকেট

নিয়তি মেনে নিয়ে সিরিজ জয়ের দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক

০১ মে ২০২৬, ০৮:০৪ পিএম

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচ ঘিরে এখন উত্তেজনা তুঙ্গে। প্রথম ম্যাচে দারুণ জয় তুলে নেওয়ার পর সিরিজ জয়ের খুব কাছাকাছি দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ। বৃষ্টির কারণে দ্বিতীয় ম্যাচটি পরিত্যক্ত হওয়ায় এখন শেষ ম্যাচই নির্ধারণ করবে সিরিজের ভাগ্য।

আগামীকাল শনিবার মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম-এ দুপুর ২টায় মাঠে নামবে দুই দল। ম্যাচটি জিততে পারলেই ২-০ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করবে টাইগাররা।

প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে ব্যাট হাতে উজ্জ্বল ছিলেন তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন পাটোয়ারী এবং পারভেজ হোসেন ইমন। তাদের পারফরম্যান্সই দলকে বড় জয়ের ভিত গড়ে দেয়।

অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ড যদি শেষ ম্যাচে জয় পায়, তাহলে সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হবে। যদিও পরিসংখ্যানের দিক থেকে এখনও এগিয়ে কিউইরা। এখন পর্যন্ত দুই দল ২০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের জয় মাত্র ৪টি, আর নিউজিল্যান্ড জিতেছে ১৫টি ম্যাচে।

প্রথম ম্যাচ জিতে এগিয়ে থাকলেও, বৃষ্টির কারণে সিরিজ নিশ্চিত করার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে স্বাগতিকদের। সংবাদ সম্মেলনে শামীম হোসেন পাটোয়ারী খুব বেশি কথা না বললেও গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় তুলে ধরেন। তিনি স্বীকার করেন, ‘বৃষ্টির ওপর তো কারও হাত নেই, এটা ব্যাড লাক। ও ধরনের কথা হয়নি এখনো। তবে আমাদের সামনে সিরিজ জেতার ভালো সুযোগ আছে। আমরা চাইব অবশ্যই জেতার জন্য।’

ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে দলের ব্যাটার ফক্সক্রফট জানান, প্রথম ম্যাচের ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে দল এখন আরও প্রস্তুত। তিনি বলেন, ‘শেষ ম্যাচটা ভেসে গেছে, তাই এখানে এসে সিরিজে সমতা ফেরানোর সুযোগ আছে আমাদের সামনে। দলের পরিবেশ ভালো, সবাই ইতিবাচক আছে। প্রথম টি-টোয়েন্টি নিয়ে ভাবার জন্য আমরা কয়েক দিন সময় পেয়েছি। ওই ম্যাচে আমরা অনেক ভালো কাজও করেছি, তবে কিছু জায়গায় নিয়ন্ত্রণ ভালো ছিল না, ব্যাটিং-বোলিং দুই দিকেই। সেগুলো নিয়েই আমরা কথা বলেছি।’

এই সিরিজে বিশ্রামে রাখা হয়েছে পেসার মুস্তাফিজুর রহমান এবং নাহিদ রানাকে। তাদের জায়গায় দলে সুযোগ পেয়েছেন নতুন মুখ রিপন মন্ডল ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন। প্রথম ম্যাচে রিপন খেললেও তেমন সফল হতে পারেননি।

তবে শেষ ম্যাচে একাদশে দেখা যেতে পারে অলরাউন্ডার সাকলাইনকে। প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন আগেই ইঙ্গিত দিয়েছেন, ভবিষ্যতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরিকল্পনা মাথায় রেখেই দল সাজানো হচ্ছে।