images

স্পোর্টস / অন্যান্য

ওয়াডার অনুসন্ধান: ফুটবলার-অ্যাথলিটসহ ২৯১ জন ডোপপাপী নিষিদ্ধ

স্পোর্টস ডেস্ক

০১ মে ২০২৬, ০২:১৮ পিএম

বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে দীর্ঘদিনের আলোচিত রাশিয়ান ডোপিং কেলেঙ্কারির আরেকটি বড় অধ্যায় শেষ হলো। মস্কোর ল্যাবরেটরির গোপন তথ্য উদ্ধার করে বিশ্ব অ্যান্টি-ডোপিং সংস্থা (ওয়াডা) চালানো ‘অপারেশন লিমস’ তদন্তে দেখা গেছে, রাশিয়ান অ্যাথলিটদের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে নিয়ম ভেঙে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। এই তদন্ত শেষে ২৯১ জন অ্যাথলিটের বিরুদ্ধে মোট ৩০২টি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ওয়াডা জানিয়েছে, ২০১৯ সালে মস্কো অ্যান্টি-ডোপিং ল্যাবরেটরি থেকে ২৪ টেরাবাইটেরও বেশি তথ্য উদ্ধারের পর এই বিশাল তদন্ত শুরু হয়। এখন পর্যন্ত ২২টি বিভিন্ন খেলার ২৯১ জন রাশিয়ান অ্যাথলিটকে ২৩টি ভিন্ন ভিন্ন অ্যান্টি-ডোপিং সংস্থা শাস্তি দিয়েছে।

সবচেয়ে বেশি শাস্তি পেয়েছে ওয়েটলিফটিং (১০৭ জন) এবং অ্যাথলেটিক্স (৯৩ জন)। এছাড়া অন্যান্য খেলাতেও অ্যাথলিটদের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। ১১ জন অ্যাথলিট একাধিকবার নিয়ম ভাঙার দায়ে শাস্তি পেয়েছেন। আরও ৪টি মামলা এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

ওয়াডা প্রেসিডেন্ট উইটোল্ড ব্যাঙ্কা বলেছেন, “সহজ কথায় বলতে গেলে, অপারেশন লিমস অ্যান্টি-ডোপিংয়ের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল তদন্ত।” তিনি আরও জানান, ২০১৮ সালে রাশিয়ান অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সিকে কঠোর শর্তসাপেক্ষে পুনর্বহাল করার সিদ্ধান্তের কারণেই এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। অনেকে তখন এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করলেও, এটি ছিল সত্য উদঘাটনের একটি কৌশলগত পদক্ষেপ।

২০১৫ সালে ওয়াডা প্রথম রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় চালানো ডোপিং প্রোগ্রামের কথা প্রকাশ করে। পরে ২০১৯ সালে ল্যাব ডেটা ম্যানিপুলেশনের প্রমাণ পাওয়ায় রাশিয়াকে চার বছরের জন্য বড় বড় আন্তর্জাতিক ইভেন্ট থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। ২০২৩ সালে নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও, ইউক্রেনে আগ্রাসনের পর অনেক খেলার সংস্থা রাশিয়ান অ্যাথলিটদের নিজ দেশের পতাকায় অংশ নিতে নিষেধ করে। সম্প্রতি কিছু সংস্থা আবার তাদের অংশগ্রহণের অনুমতি দিতে শুরু করেছে।