স্পোর্টস ডেস্ক
২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৬ পিএম
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ক্রিকেট দলে নতুন যুগের সূচনা হলো। দেশটি প্রথমবারের মতো পাঁচজন ক্রিকেটারকে সরাসরি নাগরিকত্ব (ন্যাচারালাইজেশন) দিয়ে পাসপোর্ট প্রদান করেছে। এর আগে বিদেশি খেলোয়াড়রা তিন বছর বসবাসের শর্ত পূরণ করে ইউএইয়ের হয়ে খেলার সুযোগ পেতেন, কিন্তু এবার সেই নিয়মের বাইরে গিয়ে দ্রুততম পথে তাদের দলে অন্তর্ভুক্ত করা হলো।
এই পাঁচ ক্রিকেটার নিয়ে শক্তিশালী দল গড়ে সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) থেকে নেপালের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে মাঠে নামছে আরব আমিরাত।
নতুন নাগরিকত্বপ্রাপ্ত পাঁচ ক্রিকেটারের চারজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত এবং একজন পাকিস্তানি। খুজাইমা তানভীর পাকিস্তানের ফয়সালাবাদে জন্মগ্রহণকারী। অজয় কুমার ২৯ বছর বয়সী বাঁহাতি পেসার, টি-টেন লিগে অভিজ্ঞতা রয়েছে। অক্ষদীপ নাথ ৩২ বছর বয়সী মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান, লখনউয়ের এই খেলোয়াড় আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, পাঞ্জাব কিংস ও গুজরাট টাইটান্সের হয়ে খেলেছেন। ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলেও ছিলেন। হারপ্রীত ভাটিয়া ৩৪ বছর বয়সী বাঁহাতি ব্যাটার, ছত্তিশগড়ের এই ক্রিকেটার আইপিএলে পুনে ওয়ারিয়র্স ও পাঞ্জাব কিংসের হয়ে খেলেছেন এবং ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ দলে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। আদীব উসমানি (আদেব উসমানি) মুম্বাইয়ের অনূর্ধ্ব-২৩ দলে খেলার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন।
নতুন নাগরিকত্ব পেয়ে অজয় কুমার ‘দ্য ন্যাশনাল’কে বলেছেন, “যেদিন থেকে আমি সংযুক্ত আরব আমিরাতে পা রেখেছি, সেদিন থেকেই এই দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার স্বপ্ন দেখতাম। আজ সেই স্বপ্ন সত্যি হচ্ছে।”খুজাইমা তানভীরও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “নিজের দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাওয়া যেকোনো খেলোয়াড়ের জন্য অসাধারণ অনুভূতি।”
আরব আমিরাত দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তান ও ভারত থেকে আসা প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের উপর নির্ভর করে আসছে। আইসিসির নিয়ম অনুসারে তিন বছর বসবাস করলেই দেশটির হয়ে খেলা যায়। কিন্তু এবার সরাসরি নাগরিকত্ব দিয়ে তারা আরও দ্রুত ও শক্তিশালী দল গড়ার পথে এগিয়েছে। এটি তাদের ক্রিকেটের উন্নয়ন ও আকর্ষণ বাড়ানোর একটি কৌশল বলে মনে করা হচ্ছে।
এসটি