স্পোর্টস ডেস্ক
২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন বাংলাদেশের বোলাররা। পারফর্ম্যান্সের ধারাবাহিকতা নাহিদ রানারা ধরে রেখেছেন দ্বিতীয় ম্যাচেও। সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে টসে হেরে আগে বোলিং করে লাল-সবুজের দল। বল করতে নেমে শুরু থেকেই আঁটসাঁট বোলিং করেছেন রানা-শরিফুল ইসলামরা। পাওয়ার প্লেতেই কিউইদের ২ উইকেট নেওয়া টাইগার বোলাররা শেষ পর্যন্ত সফরকারীদের অলআউট করেছেন ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানে। জয়ের জন্য স্বাগতিকদের প্রয়োজন ৫০ ওভারে ১৯৯ রান।
টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক টম ল্যাথাম। তবে ব্যাট হাতে শুরুটা ভালো হয়নি কিউইদের। ম্যাচের অষ্টম ওভারেই ভাঙে সরকারীদের উদ্বোধনী জুটি। শুরু থেকেই দুর্দান্ত বোলিং করা টাইগার বোলাররা কিউই ওপেনারদের চাপে রেখেছিলেন। অষ্টম ওভারে নিজের করা প্রথম বলেই ব্রেক থ্রু এনে দেন নাহিদ। টাইগার এই পেসারের বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফিরেন হেনরি নিকোলস।
নাহিদের বলে আউট হওয়ার আগে নিকোলস করেন ২৫ বলে ১৩ রান। কিউইদের দলীয় সংগ্রহ তখন কেবল ২৫। এরপর দশম ওভারেই আবার আঘাত হানেন রানা। এবারে রানার বলে সাজঘরের পথ ধরেন উইল ইয়ান। কিউই এই ব্যাটার নাজমুল শান্তর মুঠোবন্দী হয়ে আউট হন। দলীয় ২ উইকেট হারিয়েই চাপে পড়ে কিউইরা। পাওয়ার প্লের দশ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে নিউজিল্যান্ড স্কোরবোর্ডে তোলে ২৮ রান।
এরপর অধিনায়ক ল্যাথামকে নিয়ে ২৪ রানের জুটি গড়েন কেলি। ব্যক্তিগত ১৪ রানে ল্যাথাম সৌম্য সরকারের বলে আউট হলে ক্রিজে কেলির সঙ্গী হন মোহাম্মদ আব্বাস। এ দুজন মিলে জুটি গড়ে রানের চাকা ঘোড়ানোর পাশাপাশি বিপর্যয় সামলে ওঠেন।
আব্বাস ও কেলি মিলে গড়েছিলেন ৬৬ বলে ৫৬ রানের জুটি। তবে এ জুটি ভাঙে রানার আঘাতে। তাঁর বলে ব্যক্তিগত ১৯ রানেই সাজঘরে ফিরতে হয় আব্বাসকে। এরপর ক্রিজে কেলির সঙ্গী হন ডিন ফক্সক্রফট। এদিকে একপ্রান্তে উইকেট আগলে রেখে খেলা কেলি পেয়েছেন ফিফটির দেখা। ৬৬ বলে ব্যক্তিগত অর্ধশতক পেরোনো এই কিউই ব্যাটার ছিলেন শতকের পথে। তবে কিউই এই ব্যাটারকে ব্যক্তিগত মাইলফলকে পৌঁছাতে দেননি শরিফুল।
টাইগার পেসারের বলে তাওহিদ হৃদয়ের মুঠোবন্দী হয়ে সাজঘরে ফিরতে হয় কেলিকে। আউট হওয়ার আগে তিনি ১০২ বলে করেন ৮৩ রান। এদিকে কেলি ফেরার পরে ধস নামে সফরকারীদের ব্যাটিং লাইন আপে। রিশাদ হাসান ও শরিফুল নেন আরও ১টি করে উইকেট। রানার শিকার হয়ে ফিরেন ফক্সক্রফট ও জেইডেন লেনক্স। এ দুজনকে ফিরিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে নিজের দ্বিতীয় ফাইফারের দেখা পান রানা। শেষ পর্যন্ত ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানেই থামে কিউইদের ইনিংস।