images

স্পোর্টস / ক্রিকেট

বিসিবি ও অ্যাডহক কমিটি নিয়ে বুলবুল বললেন— ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’

স্পোর্টস ডেস্ক

০৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৬ পিএম

বাংলাদেশের ক্রিকেট অঙ্গনে উত্তেজনা চরমে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে সভাপতি করে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটির মেয়াদ তিন মাস, যার মূল দায়িত্ব নতুন নির্বাচনের আয়োজন। তবে বুলবুল এই সিদ্ধান্তকে ‘অসাংবিধানিক ও অবৈধ’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং আইসিসির হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

গত বছরের ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এনএসসি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে গঠিত ওই কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এনএসসি বুলবুলের বোর্ড ভেঙে দেয়। এনএসসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু অনিয়ম পাওয়া গেছে, যার মধ্যে অ্যাডহক কমিটিতে অন্যায়ভাবে অন্তর্ভুক্তি এবং প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উল্লেখযোগ্য।

এনএসসি এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) জানিয়েও দিয়েছে। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আমিনুল ইসলাম বুলবুল তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি এনএসসির তদন্ত প্রতিবেদনকে ‘ত্রুটিপূর্ণ ও আইনগতভাবে অগ্রহণযোগ্য’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তার দাবি, ২০২৫ সালের নির্বাচন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও বৈধ প্রক্রিয়ায় হয়েছে।

বুলবুল বলেন, এনএসসির এই তদন্ত এখতিয়ারবহির্ভূত। আইসিসির সংবিধান অনুযায়ী সদস্য বোর্ডগুলোকে সরকারি হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত রাখতে হয়। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের উদ্যোগে হওয়া এ তদন্তকে তিনি ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে অভিহিত করেছেন।

নতুন অ্যাডহক কমিটি সম্পর্কে বুলবুলের স্পষ্ট বক্তব্য, “আমরা এই কমিটির কর্তৃত্ব স্বীকার করি না।” 

বিবৃতির শেষাংশে সাবেক সভাপতি সতর্ক করে বলেন, সরকারের এই হস্তক্ষেপ বাংলাদেশ ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করবে। বিনিয়োগকারী ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আস্থা নষ্ট হতে পারে। তিনি তরুণ ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং আইসিসিকে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানান।