স্পোর্টস ডেস্ক
০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১২ পিএম
শেষ মুহূর্তের গোলে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে লা লিগার শীর্ষে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করেছে বার্সেলোনা। এই জয়ে রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে ৭ পয়েন্টে এগিয়ে গেল তারা। এর আগে মায়োর্কার কাছে ২-১ গোলে হেরে হোঁচট খেয়েছিল রিয়াল। সেই সুযোগটাই কাজে লাগিয়েছে বার্সা, মেট্রোপলিটানো স্টেডিয়ামে দারুণ লড়াইয়ের ম্যাচ জিতে শিরোপা ধরে রাখার পথে বড় লাফ দিয়েছে দলটি।
ম্যাচের প্রথমার্ধে আতলেতিকোকে এগিয়ে দেন জিউলিয়ানো সিমিওনে। তবে দ্রুতই সমতায় ফেরান মার্কাস রাশফোর্ড। বিরতির ঠিক আগে লাল কার্ড দেখে ১০ জনে পরিণত হয় অ্যাতলেতিকো, এরপরও শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায় তারা। কিন্তু শেষ কথা বলেন রবার্ট লেভানডোভস্কি। ম্যাচের ৮৭ মিনিটে কাছ থেকে আসা বল কাঁধে লাগিয়ে জালে জড়িয়ে দেন অভিজ্ঞ এই স্ট্রাইকার, তাতেই জয় নিশ্চিত হয় বার্সার।
ম্যাচ শেষে বার্সার ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়া বলেন, “আমরা জানতাম রিয়ালের ম্যাচে কী হয়েছে। আজ জিততে পারলে শিরোপার পথে বড় পদক্ষেপ হবে, এটা মাথায় ছিল। আমরা খুবই খুশি।” এই ম্যাচ ছিল দুই দলের তিন লড়াইয়ের প্রথমটি। সামনে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালেও মুখোমুখি হবে তারা।
আগামী গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের কথা মাথায় রেখে দল ঘুরিয়ে খেলিয়েছিলেন অ্যাতলেতিকোর কোচ দিয়েগো সিমিওনে। অন্যদিকে বার্সা কোচ হানসি ফ্লিক লেভানডোভস্কিকে বিশ্রাম দিয়ে ফলস নাইনে খেলান দানি ওলমোকে, বাম প্রান্তে নামান রাশফোর্ডকে।
ম্যাচের শুরুতে দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে। লামিন ইয়ামালের শট পোস্টে লাগা, গ্রিজম্যানের সুযোগ নষ্ট- দু’দলই গোলের বেশ কিছু সুযোগ পেয়েছিল। ৩৯ মিনিটে এগিয়ে যায় আতলেতিকো। ক্লেমাঁ ল্যাংলের পাস ধরে ডিফেন্স ভেঙে গোল করেন সিমিওনে। তবে তিন মিনিটের মধ্যেই সমতা ফেরান রাশফোর্ড।
বিরতির আগে ইয়ামালকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন নিকো গনজালেজ, তাতেই ১০ জনে নেমে যায় স্বাগতিকরা। দ্বিতীয়ার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোল পাচ্ছিল না বার্সা। গোলরক্ষক হুয়ান মুসো বারবার রুখে দিচ্ছিলেন তাদের আক্রমণ।
শেষ পর্যন্ত ৮৭ মিনিটে জোয়াও ক্যানসেলোর শট ঠেকালেও ফিরতি বলে আর ভুল করেননি লেভানডোভস্কি। অ্যাতলেতিকো গোলরক্ষক মুসো বলেন, “আমরা প্রথমার্ধে ভালো খেলেছি। লাল কার্ড আমাদের ভুগিয়েছে। ১০ জন নিয়ে খেলা খুব কঠিন। তবুও এই ম্যাচ আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।”