স্পোর্টস ডেস্ক
২৭ মার্চ ২০২৬, ০৪:২৮ পিএম
বাংলাদেশ ক্রিকেটের অবিসংবাদিত তারকা সাকিব আল হাসান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যেমন নিজের দাপট দেখিয়েছেন, তেমনি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটেও রেখেছেন উজ্জ্বল স্বাক্ষর। ব্যাটে-বলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে তাঁর ক্যারিয়ারে। এবার সেই ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি মিলল উইজডেনের একটি মর্যাদাপূর্ণ তালিকায়।
সম্প্রতি উইজডেন এশিয়ার (ভারত বাদে) ক্রিকেটারদের নিয়ে আইপিএলের অল-টাইম সেরা একাদশ প্রকাশ করেছে। এই একাদশে একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। ২০১১ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত আইপিএলে ৭১ ম্যাচ খেলে তিনি ব্যাট হাতে ৭৯৩ রান করেছেন ১৯.৮৩ গড়ে ও ১২৪.৪৯ স্ট্রাইকরেটে।
বল হাতে তিনি আরও বেশি ভয়ংকর ৭.৪৪ ইকোনমিতে তুলে নিয়েছেন ৬৩টি উইকেট। এই অলরাউন্ড নৈপুণ্যই তাঁকে এই বিশেষ একাদশে পাঁচ নম্বরে জায়গা দিয়েছে।
একাদশে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারদের আধিপত্য সবচেয়ে বেশি। মোট ছয়জন জায়গা পেয়েছেন। ওপেনিংয়ে রয়েছেন সনাথ জয়াসুরিয়া ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ। তিন ও চার নম্বরে দুই কিংবদন্তি কুমার সাঙ্গাকারা ও মাহেলা জয়াবর্ধনে। সাকিবের পর অলরাউন্ডার হিসেবে ছয় ও সাত নম্বরে আছেন পাকিস্তানের আজহার মেহমুদ (যুক্তরাজ্যের পাসপোর্ট সুবিধায় আইপিএলে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন) ও শ্রীলঙ্কার থিসারা পেরেরা।
বোলিং আক্রমণে স্পিন বিভাগ সামলাবেন মুত্তিয়া মুরালিধরন ও আফগানিস্তানের রশিদ খান। পেসারদের মধ্যে জায়গা পেয়েছেন সোহেল তানভীর (২০০৮ আইপিএলে সর্বোচ্চ ২২ উইকেট নিয়ে আলোচনায় আসা) ও লাসিথ মালিঙ্গা।
সাকিবের আইপিএল যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১১ সালে। কলকাতা নাইট রাইডার্স ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে খেলে তিনি প্রমাণ করেছেন, বড় মঞ্চেও তিনি সমান তালে লড়াই করতে পারেন। তবে গত কয়েক বছরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে আলোচনা চলছে।
২০২৪ সালের অক্টোবরে ভারতের বিপক্ষে শেষ টেস্ট খেলার পর থেকে জাতীয় দলে দেখা যায়নি তাঁকে। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে তিনি এখনও সক্রিয়; ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল), পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) ও ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটে নিয়মিত পারফর্ম করছেন।
এসটি