images

স্পোর্টস / ফুটবল

ব্রাজিলের দলে জায়গা না পেয়ে যা বললেন নেইমার

স্পোর্টস ডেস্ক

১৭ মার্চ ২০২৬, ০২:০৫ পিএম

ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়রের জন্য ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট (এসিএল) চোটের কারণে জাতীয় দল থেকে দীর্ঘদিন ছিটকে থাকার পরও তিনি ফিরে আসার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু একের পর এক শারীরিক সমস্যা তার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি গত সোমবার রাতে আসন্ন দুটি প্রীতি ম্যাচের জন্য ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন। এই ম্যাচ দুটিতে ব্রাজিল যুক্তরাষ্ট্রে খেলবে ২৬ মার্চ বোস্টনে ফ্রান্সের বিপক্ষে এবং ৩১ মার্চ অরল্যান্ডোতে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে। এই দুই ম্যাচ বিশ্বকাপের আগে খেলোয়াড়দের শেষ মূল্যায়নের সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। কিন্তু নেইমারের নাম এই তালিকায় স্থান পায়নি, যদিও প্রাথমিক তালিকায় তিনি ছিলেন।

সান্তোসের হয়ে সম্প্রতি খেলা শেষ করে নেইমার হতাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমি আবার জাতীয় দলে ফিরে যেতে ও বিশ্বকাপ খেলতে চাই। কিন্তু এটা তো আমার হাতে নেই। আমি থাকি আর না থাকি, ব্রাজিলের জন্য সবসময় উল্লাস করব।’ এরপর আনচেলত্তি ঘোষিত স্কোয়াড নিশ্চয়ই হতাশ করেছে সাবেক এই বার্সেলোনা ও পিএসজি তারকাকে। স্কোয়াড ঘেষণার ঘণ্টাখানেক পর গণমাধ্যমকে নেইমার বলেন, স্কোয়াডে নিজের নাম না দেখে তিনি ‘হতাশ এবং বিষণ্ন’।

নেইমার আরও বলেন, ‘আমার মনোযোগ অক্ষুণ্ন থাকবে। দিনের পর দিন, অনুশীলনের পর অনুশীলন, ম্যাচের পর ম্যাচ। আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছাব, এখনও (বিশ্বকাপের) চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণার সময় আছে।’ 

আনচেলত্তি অবশ্য নেইমারকে বাদ দেওয়ার কারণ স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘নেইমার এখনও ১০০ শতাংশ ফিট নন এবং তার শারীরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ফিরে আসেনি। কোচের মতে, যদি নেইমার পুরোপুরি সুস্থ হয়ে নিজের সেরা ফর্ম দেখাতে পারেন, তাহলে বিশ্বকাপে তার জায়গা নিশ্চিত হতে পারে।’ আনচেলত্তি আরও যোগ করেছেন, ‘নেইমারকে তার গুণাবলী প্রমাণ করতে হবে এবং চোটমুক্ত থেকে ধারাবাহিকভাবে খেলতে হবে।’ 

সম্প্রতি ব্রাজিলিয়ান লিগে মিরাসলের বিপক্ষে ম্যাচ দেখতে যাওয়ার কথা ছিল আনচেলত্তির, কিন্তু চোটের অস্বস্তির কারণে নেইমার সেই ম্যাচ খেলেননি; যা কোচের জন্য হতাশার কারণ হয়েছে। এখন বিশ্বকাপ স্কোয়াড চূড়ান্ত হওয়ার আগে (সম্ভবত ১৯ মে) নেইমারের সামনে সান্তোসের হয়ে প্রায় ১০টি ম্যাচ খেলার সুযোগ রয়েছে। ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা (৭৯ গোল) হিসেবে তার সামর্থ্য নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই, কিন্তু ফিটনেসই এখন তার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।