images

স্পোর্টস / ক্রিকেট

‘পবিত্র রমজানে হাসপাতালে হামলা করে পাকিস্তান ইসরাইলের মতো কাজ করেছে’

স্পোর্টস ডেস্ক

১৭ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি মাদকাসক্তদের পুনর্বাসন হাসপাতালে পাকিস্তানের চালানো বিমান হামলায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে। আফগান কর্তৃপক্ষের দাবি, এই হামলায় অন্তত ৪০০ জন নিহত এবং ২৫০-এর বেশি আহত হয়েছেন। হাসপাতালের বড় অংশ ভেঙে পড়েছে, যা মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য বিশেষভাবে পরিচালিত হতো।

আফগানিস্তানের উপ-মুখপাত্র জানিয়েছেন, হামলাটি সোমবার রাতে ঘটেছে এবং এতে বেসামরিক মানুষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই ঘটনায় পাকিস্তান অস্বীকার করেছে যে তারা বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করেছে। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের দাবি, অভিযানটি শুধুমাত্র সামরিক অবকাঠামো ও সন্ত্রাসী সহায়ক স্থানগুলোকে টার্গেট করা হয়েছে।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের বিশ্বসেরা স্পিনারদের একজন রশিদ খান এই ঘটনায় গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এক্স-এ (সাবেক টুইটার) পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘বেসামরিক বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করা, তা ইচ্ছাকৃত হোক বা দুর্ঘটনাবশত, সবই যুদ্ধাপরাধ। বিশেষ করে পবিত্র রমজান মাসে মানুষের জীবন নিয়ে এমন ছেলেখেলা ভয়ানক এবং উদ্বেগজনক।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু বিভাজন ও ঘৃণা বাড়াবে। আমি জাতিসংঘ ও অন্যান্য মানবাধিকার সংস্থাকে এই ঘটনার তদন্তের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। এই কঠিন সময়ে আমি আমার আফগান জনগণের সঙ্গে দাঁড়িয়েছি। আমরা সঠিকভাবে নিরাময় করব এবং আবারও শক্তিশালী হয়ে উঠব। আমরা সবসময় করি।ইনশাআল্লাহ!’

এই হামলাকে ইসরাইলি হামলার সঙ্গে তুলনা করে নবিন উল হক লিখেছেন, ‘ইসরাইল ও পাকিস্তানের সেনা শাসনের মধ্যে আর কী তফাত থাকল।’

আফগান অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবিও এই হামলায় গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আজ রাত কাবুলে একটি হাসপাতালে আশা নিঃশেষ হয়েছে। চিকিৎসা চাওয়ার জন্য আসা যুবকরা পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর হামলায় নিহত হয়েছেন। মায়েরা গেটের কাছে দাঁড়িয়ে তাদের সন্তানদের নাম ধরে ডাকছিলেন। রমজানের ২৮তম রাতে তাদের জীবন হঠাৎই শেষ হয়ে গেছে।’