স্পোর্টস ডেস্ক
০৮ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়তো কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে কিউইদের জন্য। স্বাগতিক ভারতের টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান অভিষেক শর্মা, সাঞ্জু স্যামসন এবং ইশান কিষান একের পর এক রেকর্ড গড়ে দলকে পৌঁছে দিয়েছেন অভূতপূর্ব ২৫৫-এ।
২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৫৫ রান, এটিই এখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর। আগের রেকর্ড ছিল ভারতেরই ২০২৪ সালের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৭৬ রান।
ভারত এ নিয়ে টি-টোয়েন্টিতে সাতবার ২৫০-এর বেশি রান করল, যা অন্য কোনো দলের চেয়ে অনেক বেশি। আর একই ক্যালেন্ডার ইয়ারে (২০২৬) চারবার এমন স্কোর, এটিও যেকোনো দলের জন্য সর্বোচ্চ।
ম্যাচের শুরু থেকেই ভারতের ব্যাটিং ছিল আগ্রাসী। অভিষেক শর্মা ও সাঞ্জু স্যামসন প্রথম দুই ওভারে ধীরেসুস্থে খেললেও তৃতীয় ওভার থেকে শুরু হয় তাণ্ডব। ৪ ওভারে ৫০ রান, বিশ্বকাপের সেমি বা ফাইনালে এর চেয়ে দ্রুততম দলীয় পঞ্চাশ। পাওয়ারপ্লেতে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯২ রান,টুর্নামেন্টের পাওয়ারপ্লেতে সর্বোচ্চ।
অভিষেক ১৮ বলে ফিফটি করে ফেলেন, যা নকআউট পর্বে দ্রুততম। ২১ বলে ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ৫২ রান করে আউট হন তিনি। এরপর ইশান কিষান ২৩ বলে ফিফটি করেন (৪ চার, ৪ ছক্কায় ৫৪)। সাঞ্জু স্যামসন ৪৬ বলে ৮৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন (৫ চার, ৮ ছক্কা)।
এই তিনজনের ফিফটি, বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবার কোনো দলের প্রথম তিন ব্যাটসম্যান ফিফটি করলেন এক ইনিংসে। ৭.২ ওভারে দলীয় ১০০ নকআউটে দ্রুততম। ১৫ ওভারে ২০০ রান, অসাধারণ গতি।
স্যামসনের টুর্নামেন্টে ২৪ ছক্কা, এক বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ। ফাইনালে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোরও তার।
জিমি নিশাম ১৬তম ওভারে স্যামসন, ইশান ও সূর্যকুমারকে (গোল্ডেন ডাক) আউট করে ভারতকে কিছুটা থামান। পরের কয়েক ওভারে রান তোলা কমে যায়। কিন্তু শেষ ওভারে শিবাম দুবে ৮ বলে ২৬* (৩ চার, ২ ছক্কা) করে ২৪ রান নেন, দলকে ২৫৫-এ পৌঁছে দেন।