images

স্পোর্টস / ফুটবল

ঋতুপর্ণাকে নিয়ে বাড়তি সতর্কতা উত্তর কোরিয়া কোচের

স্পোর্টস ডেস্ক

০৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:১৬ পিএম

চীনের বিপক্ষে মেয়েদের এশিয়ান কাপের মূলপর্বে নিজেদের অভিষেকে অল্পের জন্য গোল পাননি ঋতুপর্ণা চাকমা। তবে আক্রমণভাগে এই উইঙ্গারের পারফরম্যান্স আলাদা করে নজরে পড়েছে লাল-সবুজের দলের পরের ম্যাচের প্রতিপক্ষ উত্তর কোরিয়ার কোচের। ফলে তাকে নিয়ে বাড়তি সতর্কতার কথা জানিয়েছেন তিনি।

সিডনিতে শুক্রবার ‘বি’ গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় টুর্নামেন্টের তিনবারের চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের ব্যবধানটা আকাশ-পাতাল। ৯ নম্বরে থাকা উত্তর কোরিয়া এশিয়ার দ্বিতীয় সেরা দল। অন্যদিকে বাংলাদেশের অবস্থান ১১২ নম্বরে।

তবে গত মঙ্গলবার টুর্নামেন্টের বর্তমান ও রেকর্ড ৯ বারের চ্যাম্পিয়ন চীনের বিপক্ষে ২-০ গোলে হারের ম্যাচে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স দেখে পিটার বাটলারের দলকে নিয়ে মনোভাবই বদলে গেছে উত্তর কোরিয়ার কোচ রি সং হোরের।

বৃহস্পতিবার ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “এখানে এসে চীন বনাম বাংলাদেশ ম্যাচটি দেখেছি এবং আমার মনে হয়েছে, বাংলাদেশ দল আমি যতটা ভেবেছিলাম তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। উদাহরণ দিতে গেলে, তাদের আক্রমণভাগ অনেক দ্রুত এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে যাওয়ার গতি ও দক্ষতা বেশ তীক্ষ্ণ। তারা বেশ দ্রুতগতির দল। তাই আগামীকালের ম্যাচে আমাদের রক্ষণভাগকে অনেক বেশি মনোযোগী হতে হবে, যাতে তারা গোল করার কোনো সুযোগ না পায়।”

চীনের বিপক্ষে ম্যাচের ১৪তম মিনিটে বাঁ উইং ফাঁকায় পেয়ে বল নিয়ে এগিয়ে যান ঋতুপর্ণা। গায়ের সঙ্গে ডিফেন্ডার লেগে থাকলেও বক্সের বেশ বাইরে থেকে শট নেন এই উইঙ্গার। বল বাতাসে ভাসতে ভাসতে গোলপোস্টে ঢোকার আগ মুহূর্তে শূন্যে লাফিয়ে তা কোনো মতে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক। সব মিলিয়ে ঋতুপর্ণাসহ আক্রমণভাগের ফুটবলারদের গতি নিয়ে সতর্ক থাকার কথা জানান উত্তর কোরিয়া কোচ।

“আমি মূলত আমি তাদের আক্রমণভাগের তিন জন খেলোয়াড়কে বিপজ্জনক মনে করি। এর মধ্যে বিশেষ করে ১৭ নম্বর জার্সিধারী খেলোয়াড়কে (ঋতুপর্ণা) নিয়ে আমি সতর্ক, যে বাম প্রান্ত দিয়ে খুব দ্রুত আক্রমণ করতে পারেন। আমি আগেই বলেছি, তাদের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের গতি অনেক বেশি। আক্রমণ এবং রক্ষণ, উভয় ক্ষেত্রেই তাদের গতি আমাদের ভাবিয়ে তুলছে। তাই আগামীকালের ম্যাচে এই খেলোয়াড়দের রুখতে আমাদের রক্ষণভাগকে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে।”