স্পোর্টস ডেস্ক
০৩ মার্চ ২০২৬, ১২:০৮ পিএম
চার দশকের বেশি সময় পর এশিয়ার মূল মঞ্চে আবারও উড়ছে বাংলাদেশের পতাকা। তবে এবার ইতিহাসের নায়করা নন সালাউদ্দিন-চুন্নুরা, বরং লাল-সবুজের জার্সিতে নতুন অধ্যায় লিখতে প্রস্তুত আফঈদা-ঋতুপর্ণারা। প্রথমবারের মতো এএফসি এশিয়ান কাপ খেলতে নামছে বাংলাদেশ নারী দল। যা দেশের নারী ফুটবলের দীর্ঘ পথচলার এক গৌরবময় স্বীকৃতি।
১৯৮০ সালে এএফসি এশিয়ান কাপে পুরুষ দল অংশ নেওয়ার পর এত দীর্ঘ বিরতি। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার মহাদেশীয় আসরে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের মঞ্চ পেয়েছে মেয়েরা। ২০২৪ সালে সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সাফল্য আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে দলকে, যদিও প্রতিশ্রুত বোনাস এখনো পুরোপুরি হাতে পায়নি ফুটবলাররা।
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে দলকে উজ্জীবিত করতে উপস্থিত হয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল। খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, ‘সামর্থ্যরে দিক থেকে আমরা পিছিয়ে নেই। মেয়েরা যদি নিজেদের সেরাটা দেয়, চমক দেখানো সম্ভব।’
প্রথম ম্যাচেই বাংলাদেশের সামনে এশিয়ার পরাশক্তি চীনা, একই গ্রুপে রয়েছে উত্তর কোরিয়া। কঠিন চ্যালেঞ্জের মাঝেও লক্ষ্য পরিষ্কার- প্রতিটি ম্যাচে লড়াই, আর বিশেষ করে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে পয়েন্ট অর্জন।
ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার বলেন, ‘আমাদের চেষ্টা থাকবে আমরা অবশ্যই ভালো কিছু করবো। আর আমাদের প্রতিপক্ষ চীন, উত্তর কোরিয়া, উজবেকিস্তান অনেক শক্তিশালী দল। কোচ আমাদেরকে যেভাবে নির্দেশনা দিবে আমরা সেভাবেই খেলেবো।’
১২ দলের এই আসরে তিনটি গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপের সঙ্গে সেরা দুই তৃতীয় দল উঠবে কোয়ার্টার ফাইনালে। তাই প্রতিটি ম্যাচই সমান গুরুত্বপূর্ণ। ফিটনেস, কৌশল সব দিক থেকেই প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন কোচিং স্টাফরা। সভাপতি খেলোয়াড়দের বোনাসের আশ্বাস দিয়েছেন।
এসটি