স্পোর্টস ডেস্ক
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম
পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার শাহিদ আফ্রিদি মনে করেন, আইসিসি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ- ২০২৬ শেষ হওয়ার পর জাতীয় টি–টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্বের জন্য শক্ত প্রার্থী হতে পারেন শাদাব খান। তার মতে, দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে শাদাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। বর্তমানে সংক্ষিপ্ত সংস্করণে পাকিস্তান দলের অধিনায়ক সালমান আলি আগা। তবে চলমান আসরের সুপার এইট পর্বে ইংল্যান্ডের কাছে হারের পর ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নদের বিদায়ের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে কথা বলতে গিয়ে দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে নিজের মতামত দেন আফ্রিদি। সেখানে তিনি বর্তমান কোচিং স্টাফের সম্ভাব্য ধারাবাহিকতার সঙ্গেও বিষয়টি যুক্ত করেন। আফ্রিদি বলেন, বর্তমান কোচ মাইক হেসন দায়িত্বে থাকলে তার মতে শাদাব খানকেই অধিনায়ক করা হতে পারে।
২৭ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডারের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে আফ্রিদি বলেন, অধিনায়কত্বের জন্য এই মুহূর্তে পাকিস্তানের হাতে খুব বেশি বিকল্প নেই। তার ভাষায়, শাদাব অধিনায়ক হিসেবে খারাপ পছন্দ নয়, কারণ বর্তমানে আমাদের সামনে খুব বেশি বিকল্পও নেই। তবে পাকিস্তানের সাবেক এই অধিনায়ক মনে করেন, নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে শাদাবকে আবারও নিজের সেরা ফর্মে ফিরতে হবে।
আফ্রিদি বলেন, আগে যেমন ধারাবাহিকভাবে বোলিং করত, সেই ধারাবাহিকতা যদি বজায় রাখতে পারত, তাহলে অধিনায়ক হওয়ার সম্ভাবনা আরও শক্ত হতো। তিনি আরও বলেন, অধিনায়কত্বের পাশাপাশি মাঠে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সও গুরুত্বপূর্ণ। আফ্রিদির মতে, অধিনায়ক হিসেবে তাকে নিয়মিত পারফর্ম করতেও হবে, যাতে তাকে নিয়ে কথা বলার মতো কিছু থাকে। অধিনায়ক করা যেতে পারে, কিন্তু পারফরম্যান্স দেখাতেই হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মার্চে উইকেটকিপার ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ানের স্থলাভিষিক্ত হয়ে পাকিস্তানের টি–টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক হন সালমান আলি আগা। আগার নেতৃত্বে পাকিস্তান এখন পর্যন্ত ৪৯টি টি–টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে। এর মধ্যে ৩০টিতে জয় পেয়েছে এবং হেরেছে ১৮টিতে। জয়-পরাজয়ের হিসেবে দলের সাফল্যের হার ৬১.২২ শতাংশ।
তবে এই পরিসংখ্যান ভালো হলেও বড় টুর্নামেন্টে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি দলটি। ২০২৫ সালের এশিয়া কাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে চারবার হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে পাকিস্তানের। বড় ম্যাচে সেই সংগ্রাম চলমান বিশ্বকাপেও অব্যাহত আছে। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬–এ ভারতের বিপক্ষেও আরেকটি হারের মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাকিস্তানের হতাশা আরও বেড়েছে।
আরএ