images

স্পোর্টস / ক্রিকেট

বাংলাদেশ ইস্যু টেনে আইসিসিকে সতর্কবার্তা দিলেন গাভাস্কার

স্পোর্টস ডেস্ক

০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:১৭ এএম

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র দুই দিন বাকি। অথচ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও ক্রীড়াগত জটিলতা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ দলকে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ থেকে সরিয়ে দেওয়া এবং মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদের জেরে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই ঘটনায় যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, তা আরও বেড়েছে পাকিস্তানের ভারত ম্যাচ বয়কটের ঘোষণায়।

ভারত ও পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিরোধ বহুদিনের। এক সময় এই বিরোধ ক্রিকেটে তেমন প্রভাব না ফেললেও গত এক দশকে পরিস্থিতি বদলেছে। ২০১২-১৩ মৌসুমে পাকিস্তান ভারতে গিয়ে সর্বশেষ দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেছিল। এরপর থেকে দুই দেশ শুধু আইসিসি ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের টুর্নামেন্টেই মুখোমুখি হয়।

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দর্শক ও বাণিজ্যিক দিক থেকে অত্যন্ত লাভজনক হওয়ায় আইসিসি সাধারণত বড় টুর্নামেন্টে দুই দলকে একই গ্রুপে রাখার চেষ্টা করে। তবে মুস্তাফিজ বাদ পড়া এবং বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে পরিস্থিতি চরমে ওঠে। শেষ পর্যন্ত আইসিসি বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। পাকিস্তান এটিকে দ্বিচারিতা হিসেবে দেখছে।

এই ঘটনার পর পাকিস্তানের বিশ্বকাপ বয়কটের গুঞ্জন ওঠে। পরে পাকিস্তান সরকার দলকে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিলেও, গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। এতে বিতর্ক আরও তীব্র হয়।

এই পরিস্থিতিতে ভারতের সাবেক অধিনায়ক ও কিংবদন্তি ক্রিকেটার সুনিল গাভাস্কার আইসিসিকে সতর্ক করেছেন। ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এমন সমস্যা এড়াতে আইসিসিকে নতুনভাবে ভাবতে হবে। ভারত ও পাকিস্তানকে জোর করে একই গ্রুপে রাখার চেষ্টা না করে, স্বাভাবিক ড্র অনুযায়ী টুর্নামেন্ট আয়োজন করা উচিত।

গাভাস্কার স্মরণ করিয়ে দেন, ২০০৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভারত ও পাকিস্তান ভিন্ন গ্রুপে ছিল এবং সেবার তাদের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগই হয়নি। এরপর থেকেই দুই দলকে একই গ্রুপে রাখার প্রবণতা শুরু হয়।

একই সঙ্গে পাকিস্তানের পারফরম্যান্স নিয়েও কঠোর সমালোচনা করেন গাভাস্কার। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের খেলার ধরন ও ফলাফল তাদের দুর্বলতাই তুলে ধরছে। তিনি বলেন, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হলে ভারত সহজেই দুই পয়েন্ট পাবে। এমনকি খেললেও ভারতকে বাড়তি চেষ্টা করতে হবে না, কারণ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারত নিয়মিতভাবে জয় পাচ্ছে।

এসটি