images

স্পোর্টস / ক্রিকেট

বিশ্বকাপের বদলে বিকল্প টুর্নামেন্টের ভাবনা পাকিস্তানের

স্পোর্টস ডেস্ক

০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:৫৬ পিএম

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬–এ পাকিস্তান অংশ নেবে কি না, সে সিদ্ধান্ত আজই আসতে পারে বলে জানিয়েছে সূত্র। রোববার সন্ধ্যা ৬টায় পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। ওই বৈঠকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশকে নিয়ে সাম্প্রতিক জটিলতার পর থেকেই পাকিস্তানের সম্ভাব্য বয়কট নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাদের ম্যাচ ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানালেও আইসিসি তা নাকচ করে দেয়। এরপরই বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, কারণ ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া টুর্নামেন্টের সূচি পরিবর্তন করা সম্ভব নয় বলে জানায় আইসিসি।

বাংলাদেশের বাদ পড়ার ঘটনায় পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এর আগেও ২৬ জানুয়ারি একই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন পিসিবি প্রধান নকভি।

সূত্র জানিয়েছে, আজকের বৈঠকের পরই টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। একই সঙ্গে ‘অনিবার্য কারণে’ স্থগিত করা পাকিস্তান দলের বিশ্বকাপ জার্সি উন্মোচনও এই সিদ্ধান্তের পর করা হবে।

পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপে অংশ না নেয়, সে ক্ষেত্রে বিকল্প পরিকল্পনাও প্রস্তুত রেখেছে পিসিবি। লাহোরে চার দল নিয়ে একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের চিন্তা রয়েছে। পাকিস্তান জাতীয় দল ও শাহিনস অনূর্ধ্ব–১৮ দলকে ভাগ করে চারটি দল গঠন করা হতে পারে।

বাংলাদেশ–ভারত উত্তেজনার প্রভাব

বাংলাদেশ ও ভারতের রাজনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন ক্রিকেটেও প্রভাব ফেলেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্দোলনের মুখে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়।

এরই মধ্যে আইপিএলে কলকাতা ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে চুক্তি থাকলেও বাংলাদেশ পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয় ভারতীয় বোর্ডের নির্দেশে যা বাংলাদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। বাংলাদেশ এরপর দেশে আইপিএল সম্প্রচার বন্ধ করে এবং বিশ্বকাপের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের দাবি তোলে।

দক্ষিণ এশিয়ার ক্রিকেটে রাজনৈতিক টানাপোড়েন নতুন নয়। গত বছরের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত পাকিস্তানে না যাওয়ার নীতি বজায় রাখে। ২০২৩ এশিয়া কাপের মতো ‘হাইব্রিড মডেল’ অনুসরণ করে ভারত তাদের ম্যাচ দুবাইয়ে খেলেছিল। ২০২৭ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকা চুক্তি অনুযায়ী, আইসিসির যেকোনো ইভেন্টে ভারত–পাকিস্তান একে অন্যের দেশে খেলবে না। এই টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও পাকিস্তানের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় হওয়ার কথা রয়েছে।

আরএ