images

স্পোর্টস / ক্রিকেট

পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের ভিসা সমস্যা সমাধানে আইসিসির উদ্যোগ

স্পোর্টস ডেস্ক

১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম

দুয়ারে কড়া নাড়ছে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আগামী মাসেই শুরু হবে এ টুর্নামেন্ট। তবে এর আগে বিপাকে পড়েন পাকিস্তানে জন্ম নেওয়া বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটাররা। তাঁর ভারতে গিয়ে খেলার ভিসা পাচ্ছিলেন না। ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের ভিসা জটিলতা সহজ করতে এবার সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

আইসিসি সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন পূর্ণ ও সহযোগী সদস্য দেশের হয়ে অংশ নিতে যাওয়া পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত মোট ৪২ জন খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফের ভিসা প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন করতে ভারতীয় দূতাবাসগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করছে সংস্থাটি।

ইংল্যান্ড দলের পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের মধ্যে রয়েছেন স্পিনার আদিল রশিদ ও রেহান আহমেদ এবং পেসার সাকিব মাহমুদ। যুক্তরাষ্ট্র দলে আছেন আলি খান ও শায়ান জাহাঙ্গীর, নেদারল্যান্ডস দলে ডাক পেয়েছেন জুলফিকার সাকিব। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদিল রশিদ, রেহান আহমেদ ও সাকিব মাহমুদ ইতোমধ্যেই ভিসা ছাড়পত্র পেয়েছেন। নেদারল্যান্ডস দলের সংশ্লিষ্ট সদস্যদের ভিসাও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কানাডা দলের সাপোর্ট স্টাফ শাহ সালিম জাফরকেও ভিসা দেওয়া হয়েছে।

তবে সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি ও কানাডা দলের হয়ে অংশ নিতে যাওয়া পাকিস্তানি নাগরিকত্ব বা পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের ভিসা আবেদন এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আইসিসি জানিয়েছে, সব দলের জন্য ভারতীয় মিশনে সাক্ষাৎকারের সময়সূচি আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে নির্ধারণ করা হয়েছে। পুরো ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চূড়ান্ত সময়সীমা ধরা হয়েছে ৩১ জানুয়ারি।

এই অগ্রগতি ইতিবাচক হিসেবে দেখছে আইসিসি, বিশেষ করে বিভিন্ন দেশের হয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারের অংশগ্রহণের প্রেক্ষাপটে। শুধু খেলোয়াড়ই নয়, ম্যাচ রেফারি, দলীয় কর্মকর্তা ও স্ট্যান্ডবাই সদস্যদের ভিসা নিশ্চিত করতেও এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আইসিসি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশাবাদী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাকি আবেদনগুলোও নিষ্পত্তি হবে। ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠায় এখন সংস্থাটি আশা করছে, ফেব্রুয়ারি ৭ থেকে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে সব দলই পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে ভারতে পৌঁছাতে পারবে।