Dhaka Mail Logo

স্পোর্টস / ক্রিকেট

ভারতেই খেলতে হবে— বাংলাদেশকে আইসিসি

স্পোর্টস ডেস্ক

০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৩ এএম

ভারতে আসন্ন পুরুষদের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে বাংলাদেশ দলের ভারত সফর নিয়ে মঙ্গলবার আইসিসি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মধ্যে হওয়া ভার্চুয়াল বৈঠককে ঘিরে পরস্পরবিরোধী তথ্য সামনে এসেছে।

ইএসপিএনক্রিকইনফোর খবর অনুযায়ী, মঙ্গলবারের ওই ভার্চুয়াল কলে আইসিসি বিসিবিকে জানিয়ে দেয়, নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশের ম্যাচ ভারত থেকে সরানোর অনুরোধ তারা গ্রহণ করছে না। আইসিসির পক্ষ থেকে নাকি স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপে খেলতে হলে বাংলাদেশ দলকে ভারতেই আসতে হবে, অন্যথায় ম্যাচ না খেললে পয়েন্ট হারানোর ঝুঁকি থাকবে।

তবে বিসিবি দাবি করেছে, আইসিসির পক্ষ থেকে তাদের কাছে এমন কোনো আল্টিমেটাম দেওয়া হয়নি।

এখন পর্যন্ত মঙ্গলবারের বৈঠকের ফলাফল নিয়ে আইসিসি, বিসিবি বা বিসিসিআই- কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিবৃতি দেয়নি। রোববার বিসিবি আইসিসির কাছে চিঠি দিয়ে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত বাইরে সরানোর বিষয়টি ‘বিবেচনা’ করার অনুরোধ জানানোয়, আইসিসিই এই বৈঠকের আয়োজন করেছিল।

এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এমন এক সময়ে, যখন ২০ দলের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর এক মাসও বাকি নেই। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য এই টুর্নামেন্ট শুরু হবে ৭ ফেব্রুয়ারি এবং শেষ হবে ৮ মার্চ। গ্রুপ ‘সি’-তে থাকা বাংলাদেশের সূচি অনুযায়ী প্রথম তিনটি ম্যাচ কলকাতায়, ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে, ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালির বিপক্ষে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে, প্রতিপক্ষ নেপাল।

বিসিবির এই অবস্থানের পেছনে মূল কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে আইপিএল কর্তৃপক্ষের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত। বিসিসিআই কলকাতা নাইট রাইডার্সকে বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার ‘নির্দেশ’ দেয়। গত ডিসেম্বর আইপিএল নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মুস্তাফিজকে দলে নিয়েছিল কেকেআর।

বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করলেও, কেন মুস্তাফিজকে ছাড়তে বলা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেননি। উল্লেখ্য, ২০২৬ আইপিএল নিলামে কেনা একমাত্র বাংলাদেশি ক্রিকেটার ছিলেন মুস্তাফিজ।

এদিকে জানা গেছে, এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠকই হয়নি। ফলে সাইকিয়া ছাড়া আর কারা এই সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।